৩/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৮৮-[৯১] - ওজুর পর দুই রাকাতের ফজিলত
পাক-পবিত্রতা - প্রথম অনুচ্ছেদ
উত্তম ওজুর পর দুই রাকাত সালাতের ফজিলত
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৮৮-[৯১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৮৮-[৯১]
وَعَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَتَوَضَّأُ فَيُحْسِنُ وُضُوءَهُ ثُمَّ يَقُومُ فَيُصَلّـِي رَكْعَتَيْنِ مُقْبِلٌ عَلَيْهِمَا بِقَلْبِه وَوَجْهِه اِلَّا وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ.رَوَاهُ مُسْلِمٌ
‘উক্ববাহ্ ইবনু ‘আমির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে মুসলিম ওজু করে এবং উত্তমরূপে ওজু করে, অতঃপর দাঁড়িয়ে মনোযোগ দিয়ে (অন্তর ও দেহ সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর দিকে রুজু করে) দুই রাক্’আত সালাত আদায় করে, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যায়। [১]
[১] সহীহ : মুসলিম ২৩৪।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৮৮-[৯১]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে একজন মুসলিমের জন্য ওজুর পর দুই রাকাত সালাতের বড় মর্যাদা এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে মুসলিম উত্তমভাবে ওজু করে, তারপর দাঁড়িয়ে অন্তর ও দেহকে সালাতের দিকে ফিরিয়ে দুই রাকাত পড়ে, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যায়। হাদিসে দুটি বিষয় স্পষ্ট: ওজু সুন্দরভাবে হওয়া এবং সালাতে মনোযোগ থাকা। শুধু শরীর দাঁড়ালেই যথেষ্ট নয়; অন্তরও সালাতের দিকে থাকতে হবে। ‘মুকবিলুন আলাইহিমা’ অর্থাৎ সে দুই রাকাতের দিকে মন ও মুখ নিয়ে এগিয়ে আসে—এই ভাবটি সালাতের প্রাণ বোঝায়। তাই ওজুর পর নফল সালাতকে হালকা না ভেবে, আল্লাহর কাছে ফিরে আসার এক সুন্দর সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উত্তম ওজুর পর দুই রাকাত সালাতের বিশেষ ফজিলত আছে।
- সালাতে অন্তর ও দেহের মনোযোগ জরুরি।
- ওজুর পর নফল সালাত ইবাদতের সুন্দর সুযোগ।
- সালাতকে শুধু বাহ্যিক কাজ হিসেবে দেখা উচিত নয়।
