১২/১০. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯৫৮-[২১] - অন্যায় জমি দখলের কঠিন পরিণতি

কারো সম্পদে অন্যায় হস্তক্ষেপ, ঋণ ও ক্ষতিপূরণ - তৃতীয় অনুচ্ছেদ

অন্যায় জমি দখলের ভয়াবহ সতর্কতা

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৯৫৮-[২১]

عَن سَالم عَنْ أَبِيهِ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ أَخَذَ مِنَ الْأَرْضِ شَيْئًا بِغَيْرِ حَقِّهِ خُسِفَ بِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِلَى سبع أَرضين». رَوَاهُ البُخَارِيّ

সালিম (রহঃ) তাঁর পিতা [‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)] হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যে অন্যায়ভাবে কারো কিছু জমিন নিয়েছে, কেয়ামতের দিন তাকে সাত তবক জমিন পর্যন্ত ধসিয়ে দেয়া হবে।

[১] সহীহ : বুখারী ২৪৫৪, সহীহ আল জামি‘ ৫৯৮৩।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯৫৮-[২১]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে কারো কিছু জমি নিয়ে নেয়, কেয়ামতের দিন তাকে সাত তবক জমিন পর্যন্ত ধসিয়ে দেওয়া হবে। জমি দখল অনেক সময় সামান্য অংশ দিয়ে শুরু হয়—সীমানা সরানো, রাস্তা কমানো, প্রতিবেশীর অংশ চাপা দেওয়া বা জোর করে মালিকানা দাবি করা। কিন্তু হাদিসটি দেখায়, জমির অন্যায় দখল ছোট বিষয় নয়। জমি মানুষের সম্পদ, জীবিকা ও পরিবারের নিরাপত্তার সাথে জড়িত। তাই অন্যের জমি নেওয়া মানে তার হক নষ্ট করা। এই হাদিস জমি নিয়ে লোভ, অন্যায় মামলা, জোরজবরদস্তি ও সীমানা বদল থেকে শক্তভাবে সতর্ক করে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • অন্যায়ভাবে জমি নেওয়া বড় সতর্কতার বিষয়।
  • সামান্য জমিও অন্যের হক হলে তা নেওয়া যাবে না।
  • জমির সীমানা ও মালিকানা নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন