১২/১০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯৫৯-[২২] - দখল করা জমির মাটি বহনের সতর্কতা
কারো সম্পদে অন্যায় হস্তক্ষেপ, ঋণ ও ক্ষতিপূরণ - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
জমি দখল করলে হাশরের মাঠে জবাবদিহি
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৯৫৯-[২২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৯৫৯-[২২]
وَعَن يعلى بن مرّة قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ أَخَذَ أَرْضًا بِغَيْرِ حَقِّهَا كُلِّفَ أَنْ يَحْمِلَ تُرَابَهَا الْمَحْشَرَ». رَوَاهُ أَحْمَدُ
ইয়া'লা ইবনু মুররাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে কারো কোনো জমিন নিয়ে নিয়েছে, তাকে তার মাটি হাশরের মাঠে নিতে বাধ্য করা হবে।
[১] হাসান : আহমাদ ১৭৫৫৮, সহীহাহ্ ২৪২, সহীহ আত্ তারগীব ১৮৬৮।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯৫৯-[২২]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে কারো কোনো জমি নিয়ে নেয়, তাকে তার মাটি হাশরের মাঠে বহন করতে বাধ্য করা হবে। এখানে জমি দখলের পরিণতি এমনভাবে বলা হয়েছে, যা মানুষকে নিজের সীমা নিয়ে ভাবতে শেখায়। জমি শুধু কাগজে নাম নয়; এতে মানুষের অধিকার, পরিশ্রম ও জীবনযাপন জড়িত। তাই কারো জমি জোর করে নেওয়া, মিথ্যা দাবি করা বা সীমানা বদলে নেওয়া বড় জুলুম। হাদিসটি জানায়, দুনিয়ায় কেউ টের না পেলেও আখিরাতে অন্যায় জমির হিসাব থাকবে। তাই জমি-জমার ব্যাপারে ন্যায়, সততা ও পরিষ্কার মালিকানা বজায় রাখা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জমি দখলের হিসাব আখিরাতে থাকবে।
- কারো জমি অন্যায়ভাবে নেওয়া জুলুম।
- জমির সীমানা ও মালিকানায় সততা দরকার।
