১২/১১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯৬৮-[৮] - অংশীদারই শাফী
শুফআ - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
অংশীদার শাফী ও শুফ্‘আহ্ অধিকার
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৯৬৮-[৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৯৬৮-[৮]
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «الشَّرِيكُ شَفِيعٌ وَالشُّفْعَةُ فِي كل شَيْء». رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ قَالَ:
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন : শারীক হলো শাফী, আর প্রত্যেক [স্থাবর] জিনিসেই শুফ্‘আহ্ রয়েছে।
[১] মুনকার : তিরমিযী ১৩৭১, য‘ঈফাহ্ ১০০৯, য‘ঈফ আল জামি‘ ৩৪৩৫। কারণ এর সনদে রাবী আবূ হামযাহ্ অন্যান্য সিকাহ্ রাবীদের বিপরীতে হাদীসটিকে মাওসূল সূত্রে বর্ণনা করেছেন, কিন্তু সিকাহ্ রাবীগণ হাদীসটি মুরসাল সূত্রে বর্ণনা করেছেন।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯৬৮-[৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, শারীক বা অংশীদার হলো শাফী, আর প্রত্যেক স্থাবর জিনিসেই শুফ্‘আহ্ রয়েছে। এখানে শুফ্‘আহ্ অধিকারকে অংশীদারিত্বের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। যখন কোনো সম্পত্তিতে একাধিক মানুষের অংশ থাকে, তখন একজন অংশীদারের বিক্রি বা লেনদেন অন্য অংশীদারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই অংশীদারকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা এসেছে। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এর ব্যাখ্যাও মূল কথার মধ্যেই রাখা উচিত। এতে বোঝা যায়, অংশীদারী সম্পত্তির লেনদেনে অন্য অংশীদারের অধিকারকে গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে স্থাবর সম্পত্তি, অংশীদারী মালিকানা এবং শুফ্‘আহ্—এই তিনটি বিষয় পরস্পর যুক্ত। শুফ্‘আহ্ সম্পর্কে জানতে চাওয়া মানুষের জন্য এটি একটি মূল বক্তব্যধর্মী হাদিস।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অংশীদার শুফ্‘আহ্ অধিকারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
- স্থাবর জিনিসে শুফ্‘আহ্ অধিকার বিবেচিত হয়।
- অংশীদারী সম্পত্তি বিক্রিতে অন্য অংশীদারের হক খেয়াল রাখতে হবে।
- লেনদেনে অংশীদারের স্বার্থ উপেক্ষা করা উচিত নয়।
