১৩/৮. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩২১৬-[৭] - ওয়ালীমার দাওয়াত গ্রহণ
ওয়ালিমা (বৌভাত) - প্রথম অনুচ্ছেদ
ওয়ালীমার দাওয়াত পেলে উপস্থিত হওয়া
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩২১৬-[৭]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩২১৬-[৭]
وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ إِلَى الْوَلِيمَةِ فَلْيَأْتِهَا». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ. وَفِي رِوَايَةٍ لِمُسْلِمٍ: فَلْيُجِبْ عُرْسًا كَانَ أَو نَحوه
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : তোমাদের কাউকেও ওয়ালীমার দাওয়াত দিলে সে যেন তাতে শামিল থাকে।
[১] সহীহ : বুখারী ৫১৭৩, মুসলিম ১৪২৯, আবূ দাঊদ ৩৭৩৬, সহীহ আল জামি‘ ৫৩৬, সহীহ আত্ তারগীব ২১৫৩।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩২১৬-[৭]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তোমাদের কাউকে ওয়ালীমার দাওয়াত দেওয়া হলে সে যেন তাতে যায়। মুসলিমের এক বর্ণনায় এসেছে, বিয়ের দাওয়াত হোক বা অনুরূপ দাওয়াত—সে যেন সাড়া দেয়। এখানে সামাজিক সম্পর্ক, ভ্রাতৃত্ব এবং আমন্ত্রণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। ওয়ালীমাহ্ শুধু খাবারের আয়োজন নয়; এটি বিবাহের ঘোষণা, আনন্দ ভাগ করা এবং মানুষের মধ্যে সম্পর্ক মজবুত করার একটি মাধ্যম। তাই দাওয়াত পেলে অকারণে অবহেলা করা ভালো নয়। হাদিসটি মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা ও আনন্দে অংশ নেওয়ার শিক্ষা দেয়। তবে অন্যান্য হাদিসের আলোকে ওজর থাকলে ভিন্ন কথা হতে পারে—এখানে মূল নির্দেশ হলো দাওয়াতে সাড়া দেওয়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওয়ালীমার দাওয়াতকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
- বিয়ের আনন্দে অংশ নেওয়া সামাজিক সম্পর্ক বাড়ায়।
- দাওয়াত গ্রহণ করা মুসলিম আচরণের অংশ।
- অকারণে আমন্ত্রণ উপেক্ষা করা ভালো নয়।
