১৩/৮. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩২১৭-[৮] - খাবারের দাওয়াতে সাড়া

ওয়ালিমা (বৌভাত) - প্রথম অনুচ্ছেদ

খাবারের দাওয়াত গ্রহণ ও খাওয়ার স্বাধীনতা

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩২১৭-[৮]

وَعَنْ جَابِرٍ: قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ إِلَى طَعَام فليجب وَإِن شَاءَ طَعِمَ وَإِنْ شَاءَ تَرَكَ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ

জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : তোমাদের কাউকেও খাবার আয়োজনে দাওয়াত দিলে, সে যেন গ্রহণ করে। তবে ইচ্ছা থাকলে খাবে, অন্যথায় খাবে না।

[১] সহীহ : মুসলিম ১৪৩০, আবূ দাঊদ ৩৭৪০, ইবনু মাজাহ ১৭৫১, আহমাদ ১৫২১৯, সহীহ আত্ তারগীব ২১৫৫।

অনুবাদের উৎস

প্রকাশক:
হাদিস একাডেমী
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩২১৭-[৮]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তোমাদের কাউকে খাবারের দাওয়াত দেওয়া হলে সে যেন দাওয়াত গ্রহণ করে। এরপর বলা হয়েছে, সে চাইলে খাবে, আর চাইলে না খেয়ে থাকবে। হাদিসটি খুব ভারসাম্যপূর্ণ শিক্ষা দেয়। দাওয়াতের সম্মান রাখা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আমন্ত্রণ মানুষের ভালোবাসা ও সামাজিক সম্পর্কের প্রকাশ। কিন্তু দাওয়াতে গিয়ে খাওয়াকে বাধ্যতামূলক করা হয়নি। কারও ক্ষুধা না থাকতে পারে, কোনো ব্যক্তিগত কারণ থাকতে পারে, অথবা অন্য কোনো অবস্থার কারণে না খাওয়াও সম্ভব। তাই এখানে মূল বিষয় হলো, দাওয়াতদাতার সম্মান রাখা এবং সম্পর্ক নষ্ট না করা। একই সঙ্গে ব্যক্তির অবস্থাকেও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • খাবারের দাওয়াতে সাড়া দেওয়া ভালো আচরণ।
  • দাওয়াতে উপস্থিত হলেও খাওয়া বাধ্যতামূলক নয়।
  • অতিথি ও আয়োজকের সম্পর্ক সম্মানের সঙ্গে রাখা উচিত।
  • ইসলাম সামাজিক আচরণে ভারসাম্য শেখায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন