১৩/৮. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩২২৭-[১৮] - ফাসিকদের দাওয়াত গ্রহণে সতর্কতা
ওয়ালিমা (বৌভাত) - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
ফাসিকদের দাওয়াত গ্রহণে সতর্কতার শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩২২৭-[১৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩২২৭-[১৮]
وَعَن عمرَان ين حُصَيْنٍ قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِجَابَة طَعَام الْفَاسِقين
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফাসিকগণের দাওয়াত গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন।
[১] য‘ঈফ : শু‘আবুল ঈমান ৫৪২০, য‘ঈফাহ্ ৫২২৯, য‘ঈফ আল জামি‘ ৬০২৯। কারণ এর সনদে আবূ ‘আবদুর রহমান আস্ সুলামী একজন দুর্বল রাবী।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩২২৭-[১৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ফাসিকদের খাবারের দাওয়াত গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। এখানে মূল বিষয় হলো দাওয়াতের আদবের পাশাপাশি দাওয়াতদাতার অবস্থা নিয়েও সতর্ক থাকা। সব দাওয়াত শুধু খাবারের জন্য নয়; অনেক সময় দাওয়াতের পরিবেশ, উদ্দেশ্য ও সঙ্গ মানুষের দ্বীন ও চরিত্রে প্রভাব ফেলে। তাই ইসলামী শিক্ষা মানুষকে শুধু সামাজিকতা শেখায় না, বরং কোন সঙ্গ ও কোন পরিবেশ গ্রহণ করা উচিত, সে ব্যাপারেও ভাবতে শেখায়। হাদিসটি আমাদের স্মরণ করায়, মেহমানদারি সুন্দর কাজ হলেও তা যদি ফাসেকি পরিবেশের সাথে জড়িত হয়, তাহলে মুমিনের সতর্ক থাকা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দাওয়াত গ্রহণের আগে পরিবেশ ও দাওয়াতদাতার অবস্থাও বিবেচনা করা দরকার।
- ফাসেকি আচরণকে স্বাভাবিক করে এমন পরিবেশ থেকে সতর্ক থাকা উচিত।
- সামাজিকতার নামে দ্বীনের ক্ষতি হয় এমন সঙ্গ এড়ানো ভালো।
- খাবারের দাওয়াতও নৈতিক বিবেচনার বাইরে নয়।
