১৩/১৭. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৩৫০-[৯] - পলাতক দাসের কঠোর সতর্কতা
স্ত্রীর খোরপোষ ও দাস-দাসীর অধিকার - প্রথম অনুচ্ছেদ
পলাতক দাস সম্পর্কে হাদিসের সতর্ক শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৩৫০-[৯]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৩৫০-[৯]
وَعَنْ جَرِيرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِذَا أَبَقَ الْعَبْدُ لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلَاةٌ». وَفِي رِوَايَةٍ عَنْهُ قَالَ: «أَيّمَا عبد أبق فقد بَرِئت مِنْهُ الذِّمَّةُ» . وَفِي رِوَايَةٍ عَنْهُ قَالَ: «أَيُّمَا عَبْدٍ أَبَقَ مِنْ مَوَالِيهِ فَقَدْ كَفَرَ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَيْهِم». رَوَاهُ مُسلم
জারীর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যে দাস পালিয়ে যায়, তার সালাত গৃহীত হয় না। অপর বর্ণনায় আছে, তিনি (ﷺ) বলেছেন : পলাতক দাসের ওপর (ইসলামের) কোনো দায়ভার নেই। অপর বর্ণনায় আছে যে, তিনি (ﷺ) বলেছেন : যে গোলাম স্বীয় মালিক হতে পালিয়ে যায় সে অবশ্যই কুফ্রী করে যতক্ষণ পর্যন্ত না মালিকের নিকট ফিরে আসে।
[১] সহীহ : মুসলিম ৭০, নাসায়ী ৪০৫০, আহমাদ ১৯২২৫, ইরওয়া ২১৭৯, সহীহ আত্ তারগীব ১৮৮৬।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৩৫০-[৯]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে পলাতক দাস সম্পর্কে কঠোর ভাষায় সতর্ক করা হয়েছে। এক বর্ণনায় বলা হয়েছে, যে দাস পালিয়ে যায়, তার সালাত গৃহীত হয় না। আরেক বর্ণনায় বলা হয়েছে, পলাতক দাসের ওপর দায়ভার থাকে না। আরেক বর্ণনায় এসেছে, সে মালিকের কাছে ফিরে না আসা পর্যন্ত কুফরী করেছে। এসব বর্ণনার ভাষা খুব শক্ত, তাই ব্যাখ্যায় বাড়তি কথা যোগ না করে মূল সতর্কতাই বোঝা উচিত। হাদিসটি দাসের জন্য তার অবস্থান ও দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাওয়ার ভয়াবহতা দেখায়। একই সঙ্গে এটি বোঝায়, সম্পর্ক ও দায়িত্বের ক্ষেত্রে প্রতারণা বা পালিয়ে যাওয়া ছোট বিষয় নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মালিকের কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়া দাসের জন্য কঠোর সতর্কতা এসেছে।
- সালাত গৃহীত না হওয়ার কথা হাদিসে উল্লেখ আছে।
- দায়িত্ব থেকে পালানোকে হালকা বিষয় মনে করা ঠিক নয়।
- ফিরে আসার আগে পর্যন্ত কঠিন ভাষায় ধমক এসেছে।
