১৮/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৬৯২-[৩২] - ক্বয়স ইবনু সা‘দের সহকারীর মর্যাদা
প্রশাসন ও বিচারকার্য - প্রথম অনুচ্ছেদ
الإمارةশব্দটির অর্থ আমিরের পদ গ্রহণ করা বা চিহ্ন ইত্যাদি।القضاءদ্বারা এখানে উদ্দেশ্য শার্‘ঈ আদালত।
নবী صلى الله عليه وسلم-এর পাশে ক্বয়স: সহকারী ও শৃঙ্খলার শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৬৯২-[৩২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৬৯২-[৩২]
وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: كَانَ قَيْسُ بْنُ سَعْدٍ مِنَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمَنْزِلَةِ صاحبِ الشُّرَطِ منَ الأميرِ. رَوَاهُ البُخَارِيّ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
ক্বয়স ইবনু সা'দ (রাঃ) নবী (ﷺ) এর নিকট এমন মর্যাদায় ছিলেন, যেমন শাসকের নিকট তার একান্ত সহকারীর (মুখপাত্রের) মর্যাদা।
[১] সহীহ : বুখারী ৭১৫৫, তিরমিযী ৩৮৫০।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৬৯২-[৩২]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আনাস (রা.) ক্বয়স ইবনু সা‘দ (রা.)-এর একটি বিশেষ অবস্থান বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ক্বয়স (রা.) নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাছে এমন মর্যাদায় ছিলেন, যেমন কোনো শাসকের কাছে তার একান্ত সহকারী বা মুখপাত্রের মর্যাদা থাকে। হাদিসটি ছোট, কিন্তু নেতৃত্বের কাজে সহকারী, শৃঙ্খলা ও আস্থার বিষয় বোঝায়। একজন নেতা একা সব কাজ করেন না; তার পাশে এমন লোক থাকে, যারা কাজের ব্যবস্থা, যোগাযোগ বা নিরাপত্তা-সংক্রান্ত সেবা দেয়। এখানে কোনো বাড়তি দাবি করা হয়নি; শুধু ক্বয়স (রা.)-এর অবস্থান বোঝানো হয়েছে। তাই এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, দায়িত্বের কাজে বিশ্বস্ত সহকারী থাকা গুরুত্বপূর্ণ। তবে সহকারীর মর্যাদা মানে অহংকার নয়; বরং সেবা, শৃঙ্খলা ও আস্থার জায়গা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নেতৃত্বের কাজে বিশ্বস্ত সহকারীর ভূমিকা থাকতে পারে।
- সহকারীর মর্যাদা সেবা ও আস্থার সঙ্গে জড়িত।
- দায়িত্বপূর্ণ কাজে শৃঙ্খলা ও সহযোগিতা দরকার।
- কোনো মর্যাদা পেলে তা বিনয়ের সঙ্গে পালন করা উচিত।
