১৮/৩. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৭৫৩-[৯] - ঘুষদাতা ও ঘুষগ্রহীতার পরিণতি

বিচারকদের (সহকর্মীদের) বেতন ও হাদিয়া গ্রহণ করা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

ঘুষদাতা ও ঘুষগ্রহীতা দুজনই সতর্ক

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৭৫৩-[৯]

وَعَن عبد الله بن عَمْرو قَالَ: لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم الرَّاشِيَ وَالْمُرْتَشِيَ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঘুষ গ্রহণকারী ও ঘুষ প্রদানকারী উভয়ের ওপর অভিসম্পাত করেছেন।

[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ৩৫৮০, ইবনু মাজাহ ২৩১৩, তিরমিযী ১৩৩৭, আহমাদ ৬৫৩২, ইরওয়া ২৬২০, সহীহ আল জামি‘ ৫১১৪, সহীহ আত্ তারগীব ২২১১।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৭৫৩-[৯]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে ঘুষের ব্যাপারে খুব সংক্ষিপ্ত কিন্তু কঠোর সতর্কতা এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم ঘুষ গ্রহণকারী এবং ঘুষ প্রদানকারী—উভয়ের ওপর অভিসম্পাত করেছেন। তাই ঘুষকে শুধু গ্রহণকারীর সমস্যা মনে করলে ভুল হবে। যে ব্যক্তি অন্যায় সুবিধা পাওয়ার জন্য ঘুষ দেয়, সেও এই সতর্কতার মধ্যে পড়ে। বিচার, প্রশাসন, অধিকার আদায়, চাকরি, ফায়সালা বা কোনো দায়িত্বপূর্ণ কাজে ঘুষ ঢুকে গেলে হক নষ্ট হয় এবং অন্যায় শক্তিশালী হয়। এই হাদিস ঘুষ হারাম, অবৈধ লেনদেন, বিচার নষ্ট করা এবং অন্যের হক খাওয়ার দরজা বন্ধ করার শিক্ষা দেয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ঘুষ গ্রহণকারী ও প্রদানকারী দুজনের জন্যই কঠোর সতর্কতা আছে।
  • ঘুষ হকের পথ নষ্ট করে এবং অন্যায়কে শক্তিশালী করে।
  • কোনো সুবিধা পাওয়ার জন্য অবৈধ টাকা দেওয়া নিরাপদ নয়।
  • বিচার ও প্রশাসনে ঘুষ থেকে দূরে থাকা জরুরি।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন