১৮/৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৭৫৪-[১০] - ঘুষের বর্ণনার সনদ সমর্থন
বিচারকদের (সহকর্মীদের) বেতন ও হাদিয়া গ্রহণ করা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
ঘুষের নিষেধে আরও বর্ণনার সমর্থন
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৭৫৪-[১০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৭৫৪-[১০]
وَرَوَاهُ التِّرْمِذِيّ عَنهُ وَعَن أبي هُرَيْرَة
আর তিরমিযী ‘আবদুল্লাহ ইবনু 'আম্র ও আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন।
[১] সহীহ : তিরমিযী ১৩৩৬, আহমাদ ৯০২৩, সহীহ আল জামি‘ ৫০৯৩।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৭৫৪-[১০]-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় বলা হয়েছে, তিরমিযী ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র এবং আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) থেকে একই হাদিস বর্ণনা করেছেন। মূল বিষয় আগের বর্ণনার সাথে যুক্ত—ঘুষ গ্রহণকারী ও ঘুষ প্রদানকারীর ওপর রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর অভিসম্পাত। এখানে নতুন কোনো আলাদা ঘটনা নেই; বরং একই শিক্ষা অন্য সূত্রে আসার কথা জানানো হয়েছে। তাই ব্যাখ্যার কেন্দ্র থাকবে ঘুষ হারাম হওয়া, ঘুষদাতা ও ঘুষগ্রহীতা উভয়ের দায়, এবং হক নষ্ট করার ভয়। এ ধরনের বর্ণনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, ঘুষ শুধু সামাজিক অন্যায় নয়; এটি দ্বীনি দৃষ্টিতে ভয়াবহ সতর্কতার বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘুষের নিষেধ একাধিক বর্ণনায় এসেছে।
- ঘুষদাতা ও ঘুষগ্রহীতা উভয়ের দায় আছে।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও আগের মূল শিক্ষাকে শক্ত করে।
- অন্যায় সুবিধার জন্য লেনদেন থেকে দূরে থাকা দরকার।
