১৯/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৮৬৭-[৭] - ঘোড়ায় পুরস্কার ও গনীমাত
যুদ্ধাস্ত্রের প্রস্তুতিকরণ - প্রথম অনুচ্ছেদ
কিয়ামত পর্যন্ত ঘোড়ার কপালে কল্যাণ
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৮৬৭-[৭]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৮৬৭-[৭]
وَعَن جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَلْوِي نَاصِيَةَ فرسٍ بأصبعِه ويقولُ: الْخَيْلُ مَعْقُودٌ بِنَوَاصِيهَا الْخَيْرُ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ: الأجْرُ والغَنيمةُ. رَوَاهُ مُسلم
জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদিন আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে দেখতে পেলাম যে, তিনি স্বহস্তে ঘোড়ার কপালের কেশরাজি মুছছিলেন এবং বলছিলেন, কিয়ামত পর্যন্ত ঘোড়ার কপালে কল্যাণ নিহিত রয়েছে। আর তা হলো (আখিরাতে) পুরস্কার ও (দুনিয়াতে) গনীমাতের মাল।
[১] সহীহ : মুসলিম ১৮৭২, আহমাদ ১৯১৯৭, সহীহ আল জামি‘৩৩৩৫।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৮৬৭-[৭]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জারীর ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে নিজের হাতে ঘোড়ার কপালের কেশ মুছতে দেখেছেন। তখন নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কিয়ামত পর্যন্ত ঘোড়ার কপালে কল্যাণ বাঁধা আছে। এরপর তিনি সেই কল্যাণকে ব্যাখ্যা করেছেন—আখিরাতে পুরস্কার এবং দুনিয়াতে গনীমাত। হাদিসে ঘোড়ার বরকত শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যের কথা নয়; বরং আল্লাহর পথে ব্যবহৃত হলে তার সঙ্গে সাওয়াব ও কল্যাণ যুক্ত হয়। এখানে ঘোড়া, জিহাদ, পুরস্কার ও গনীমাতের বিষয় স্পষ্টভাবে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আল্লাহর পথে ব্যবহৃত ঘোড়ার সঙ্গে কল্যাণ যুক্ত করা হয়েছে।
- হাদিসে ঘোড়ার কল্যাণকে পুরস্কার ও গনীমাত দিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) ঘোড়ার প্রতি যত্নশীল আচরণ দেখিয়েছেন।
- দুনিয়ার উপকরণ সঠিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার হলে তা সাওয়াবের কারণ হতে পারে।
