৩/৪. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৯৫-[৫] - একবার করে ওজু করার বর্ণনা
ওজুর নিয়ম-কানুন - প্রথম অনুচ্ছেদ
এখানেسُنَنٌদ্বারা শুধুমাত্র উযূ (ওযু/ওজু/অজু)-র সুন্নাতগুলো উদ্দেশ্য নয় যা ফার্যের (ফরযের/ফরজের) বিপরীত বরং এর দ্বারা উদ্দেশ্য নবী (ﷺ)-এর কর্ম এবং উক্তিসমূহ চাই তা সুন্নাত হোক বা ফরয হোক।
একবার করে ওজু: নবী صلى الله عليه وسلم-এর সহজ পদ্ধতির বর্ণনা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৯৫-[৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৯৫-[৫]
وَعَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبَّاسٍ رَّضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ تَوَضَّأَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ مَرَّةً مَرَّةً لَمْ يَزِدْ عَلى هذَا. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (ওজুর স্থানসমূহ) একবার করে ওজু করলেন। একবারের অধিক ধুলেন না। [১]
[১] সহীহ : বুখারী ১৫৭। তবে لَمْ يَزِدْ عَلى هذ অংশটুকু ব্যতীত।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৯৫-[৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস রা. বলেছেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم একবার করে ওজু করেছেন এবং এর বেশি ধোয়া বাড়াননি। ওজুর পদ্ধতি নিয়ে বিভিন্ন বর্ণনায় একবার, দুইবার ও তিনবার ধোয়ার কথা এসেছে। এই নির্দিষ্ট হাদিসে একবার করে ধোয়ার বর্ণনা রয়েছে। এর মূল শিক্ষা হলো, ওজুতে অঙ্গ ধোয়ার একটি বৈধ ও সহজ রূপ নবী صلى الله عليه وسلم নিজে করেছেন। তবে এই হাদিস থেকে অন্য সব বর্ণনাকে বাদ দেওয়া যাবে না; এখানে শুধু এই ঘটনাটি বলা হয়েছে। যারা একবার করে ওজু করার হাদিস খোঁজেন, তাদের জন্য এটি সরাসরি বর্ণনা। এতে বোঝা যায়, ওজুতে পানি ব্যবহার ও ধোয়ার সংখ্যার বিষয়ে নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমলে সহজতা ছিল। তবে পূর্ণভাবে ধোয়া জরুরি, কারণ অন্য হাদিসে অসম্পূর্ণ ওজুর বিষয়ে সতর্কতা এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم একবার করে ওজু করার বর্ণনা পাওয়া যায়।
- ওজুতে ধোয়ার সংখ্যা নিয়ে হাদিসে সহজতার দিক আছে।
- কম ধুলেও অঙ্গগুলো ভালোভাবে ভেজানো দরকার।
- ওজুর নিয়ম শিখতে সংশ্লিষ্ট বর্ণনাগুলো একসাথে জানা ভালো।
