৩/৪. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৯৬-[৬] - দুইবার করে ওজু করার বর্ণনা
ওজুর নিয়ম-কানুন - প্রথম অনুচ্ছেদ
এখানেسُنَنٌদ্বারা শুধুমাত্র উযূ (ওযু/ওজু/অজু)-র সুন্নাতগুলো উদ্দেশ্য নয় যা ফার্যের (ফরযের/ফরজের) বিপরীত বরং এর দ্বারা উদ্দেশ্য নবী (ﷺ)-এর কর্ম এবং উক্তিসমূহ চাই তা সুন্নাত হোক বা ফরয হোক।
দুইবার করে ওজু করার সুন্নাহ বর্ণনা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৩৯৬-[৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৩৯৬-[৬]
وَعَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ زَيْدٍ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ تَوَضَّأَ مَرَّتَيْنِ مَرَّتَيْنِ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ওজুর অঙ্গগুলোকে দুইবার করে ধুইলেন। [১]
[১] সহীহ : বুখারী ১৫৮।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৩৯৬-[৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ রা. বর্ণনা করেছেন যে নবী صلى الله عليه وسلم ওজুর অঙ্গগুলো দুইবার করে ধুয়েছেন। ওজু করার নিয়ম নিয়ে যারা জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা ধোয়ার সংখ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে। একই বিষয়ের অন্যান্য বর্ণনায় একবার বা তিনবার ধোয়ার কথাও এসেছে। তাই এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, নবী صلى الله عليه وسلم কখনো দুইবার করেও ওজু করেছেন। তবে মূল বিষয় হলো অঙ্গগুলো ঠিকভাবে ধোয়া এবং ওজু পূর্ণ করা। দুইবার করে ওজু করার হাদিস আমাদের শেখায় যে ইসলামে পরিচ্ছন্নতার আমলে সহজতা আছে। এই বর্ণনার সীমা অতিক্রম করে কোনো অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়। এখানে শুধু বলা হয়েছে, নবী صلى الله عليه وسلم দুইবার করে ধুয়েছেন। তাই ওজুর ধাপ বুঝতে এটি একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ হাদিস।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم দুইবার করে ওজু করার বর্ণনা পাওয়া যায়।
- ওজুর অঙ্গগুলো নিয়ম মেনে ধোয়া জরুরি।
- ওজুর ধোয়ার সংখ্যায় হাদিসে ভিন্ন বর্ণনা আছে।
- ইবাদতের প্রস্তুতিতে পরিচ্ছন্নতা গুরুত্বের সঙ্গে করা উচিত।
