২০/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪০৮৫-[২২] - মাজুসীর কুকুরের শিকার থেকে বিরত থাকা
শিকার ও যবেহ প্রসঙ্গে - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মাজুসীর কুকুরের শিকার সম্পর্কে সতর্কতা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪০৮৫-[২২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪০৮৫-[২২]
وَعَن جابرٍ قَالَ: نُهِينَا عَنْ صَيْدِ كَلْبِ الْمَجُوسِ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমাদেরকে মাজুসীর কুকুরের শিকারকৃত জানোয়ার খেতে নিষেধ করা হয়েছে।
[১] য‘ঈফ : তিরমিযী ১৪৬৬, ইবনু মাজাহ ৩২০৯, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ১৭৪০৯। হাদীসটি য‘ঈফ হওয়ার কারণ হলো, এর সনদে ‘‘হাজ্জাজ ইবনু আরত্বাত’’ নামে একজন মুদাল্লিস বর্ণনাকারী আছে, যে عَن (‘আন) দ্বারা হাদীস বর্ণনা করেছে।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪০৮৫-[২২]-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে বলা হয়েছে, মাজুসীর কুকুর দিয়ে শিকার করা জানোয়ার খেতে নিষেধ করা হয়েছে। হাদিসটির মূল বিষয় শিকার এবং শিকারের উৎস সম্পর্কে সতর্কতা। এখানে সাধারণ কুকুর দিয়ে শিকার নয়; নির্দিষ্টভাবে মাজুসীর কুকুরের শিকারকৃত প্রাণীর কথা বলা হয়েছে। তাই ব্যাখ্যা করার সময় এটিকে শিক্ষিত কুকুরের সব শিকারের সঙ্গে এক করে দেখা ঠিক নয়। আগের বর্ণনাগুলোতে শিক্ষিত কুকুর, বিসমিল্লাহ এবং মালিকের জন্য ধরে রাখার কথা এসেছে; এই হাদিসে আলাদা করে নিষেধের দিকটি এসেছে। খাদ্য গ্রহণে হালাল-হারামের ব্যাপারে মনোযোগ রাখা—এটাই এই বর্ণনার সহজ শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শিকারের উৎস সম্পর্কে সতর্ক থাকা দরকার।
- সব কুকুরের শিকার একইভাবে বিবেচনা করা যায় না।
- হালাল খাদ্যের ক্ষেত্রে শুধু খাবার নয়, তা কীভাবে পাওয়া হলো সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
