২০/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪০৯৮-[১] - অপ্রয়োজনীয় কুকুর পালনের সতর্কতা
কুকুর সম্পর্কে বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
কুকুর পালন ও আমাল কমার সতর্কতা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪০৯৮-[১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪০৯৮-[১]
عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم: «مَنِ اقْتَنَى كَلْبًا إِلَّا كَلْبَ مَاشِيَةٍ أَوْ ضَارٍ نَقَصَ مِنْ عَمَلِهِ كُلَّ يَوْمٍ قِيرَاطَانِ»
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যে ব্যক্তি গবাদিপশু পাহারাদানকারী কিংবা শিকারী কুকুর ছাড়া অন্য কোন কুকুর পোষে, প্রতিদিন তার আমল হতে দু' ক্বীরাত্ব পরিমাণ হ্রাস পাবে।
[১] সহীহ : বুখারী ৫৪৮২, মুসলিম ৪১০৬, তিরমিযী ১৪৮৭, ইবনু মাজাহ ৩২০৫, আল মু‘জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ১৩০১৫, দারিমী ২০০৪, নাসায়ী ৪২৮৪, মুসনাদুশ্ শাফি‘ঈ ৬৮১, মুসান্নাফ ইবনু আবূ শায়বাহ্ ৪৫, মুওয়াত্ত্বা মালিক ৩৫৫৪, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ৩১০০।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪০৯৮-[১]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কুকুর পালনের বিষয়ে সতর্কতা এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি গবাদিপশু পাহারা দেওয়ার কুকুর বা শিকারী কুকুর ছাড়া অন্য কুকুর পোষে, প্রতিদিন তার আমল থেকে দুই কীরাত কমে যাবে। এখানে নিষেধের ভাষা সাধারণ শখের কুকুর পালনের দিকে সতর্ক করছে, তবে হাদিসেই প্রয়োজনীয় দুই ধরনের কুকুরের ব্যতিক্রম বলা হয়েছে: গবাদিপশু পাহারাদানকারী এবং শিকারী কুকুর। তাই ব্যাখ্যায় ভারসাম্য রাখা জরুরি। কুকুর পালন, শিকারী কুকুর, গবাদিপশুর পাহারা, আমাল কমা এবং কীরাত—এসব এই হাদিসের মূল কীওয়ার্ড।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুকুর পালনে প্রয়োজন ও উদ্দেশ্য বিবেচনা করার শিক্ষা এসেছে।
- গবাদিপশু পাহারা ও শিকারের কুকুরের ব্যতিক্রম হাদিসেই উল্লেখ আছে।
- অপ্রয়োজনীয় কাজের কারণে আমালের ক্ষতির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
