২০/৩. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪১৫০-[২] - নবজাতকের জন্য দোআ ও তাহনীক

আকিকার বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ

নবজাতকের জন্য দোআ ও তাহনীকের হাদিস

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪১৫০-[২]

وَعَنْ عَائِشَةَ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يُؤْتَى بِالصِّبْيَانِ فَيُبَرِّكُ عَلَيْهِمْ وَيُحَنِّكُهُمْ. رَوَاهُ مُسلم

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে নবজাতক শিশুদেরকে আনা হত, তিনি তাদের কল্যাণের জন্য দোয়া করতেন এবং তাদেরকে তার্নিক করতেন।

[১] সহীহ : মুসলিম (২৮৬)-১০১, (২১৪৭)-২৭; মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়রাহ্ ৯(৪), ২৩৪৮৪, আবূ দাঊদ ৫১০৬, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী লিল বায়হাক্বী ৪৩২২, শারহুস্ সুন্নাহ্ ২৮২১, সহীহ ইবনু হিব্বান ১৩৭২, সহীহুল জামি‘ ৪৮৭৬, মুসনাদে আহমাদ ২৫৭৭১, শু‘আবুল ঈমান ১১০১৪।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪১৫০-[২]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কাছে নবজাতক শিশুদের আনা হতো। তিনি তাদের কল্যাণের জন্য দোআ করতেন এবং তাদের তাহনীক করতেন। তাহনীক বলতে এখানে শিশুর মুখে চিবানো খেজুর লাগানোর কাজ বোঝানো হয়েছে, যা পরের বর্ণনায় আরও পরিষ্কারভাবে এসেছে। এই হাদিস নবজাতকের জন্য দোআ, বরকতের দোআ এবং জন্মের পর ভালো কাজের একটি সুন্দর শিক্ষা দেয়। এতে দেখা যায়, শিশুর জীবনের শুরুতেই তার জন্য কল্যাণ কামনা করা হয়েছে। তবে এই বর্ণনায় নাম রাখা বা আকীকাহর বিস্তারিত নেই; তাই ব্যাখ্যায় শুধু দোআ ও তাহনীকের বিষয়টি সামনে রাখা উচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবজাতকের জন্য কল্যাণের দোআ করা ভালো কাজ।
  • রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم শিশুদের তাহনীক করতেন বলে বর্ণিত হয়েছে।
  • শিশুর জন্মের পর তার জন্য বরকত কামনা করা যায়।
  • নবজাতক সংক্রান্ত কাজগুলো হাদিস অনুযায়ী শেখা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন