২১/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪২১০-[৫২] - আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে একই বর্ণনা
খাদ্য - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
(আরবি) দ্বারা উদ্দেশ্য (আরবি) অর্থাৎ পরস্পর দু’দলের মধ্যে সন্ধি স্থাপন। ইবনুল হুমাম বলেন : ইমাম যদি মনে করেন যে, শত্রুপক্ষের মালের বিনিময়ে অথবা মাল ব্যতিরেকেই সন্ধি করার মধ্যে কল্যাণ নিহিত আছে তাহলে তিনি সন্ধি করতে পারেন। কেননা আল্লাহ তা‘আলা বলেন : “তারা যদি শান্তির (সন্ধির) দিকে ঝুঁকে পড়ে তাহলে তুমি সেদিকে ঝুঁকে পড়ো।” (সূরাহ্ আল আনফাল ৮ : ৬১) যদিও আয়াতে কল্যাণের কথা উল্লেখ নেই তথাপি ফাকীহগণ একমত যে, মুসলিমদের কল্যাণ আছে বলে ইমামের নিকট সাব্যস্ত হলে তবেই শুধুমাত্র সন্ধি করা বৈধ। আর যদি সন্ধির মধ্যে কোনো কল্যাণ পরিলক্ষিত না হয় তাহলে সন্ধি করা বৈধ নয়।
একই মর্মের হাদিস: আবূ হুরায়রা সূত্র
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪২১০-[৫২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪২১০-[৫২]
وَرَوَاهُ ابْن مَاجَه عَن أبي هُرَيْرَة
আর ইবনু মাজাহ হাদীসটি আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪২১০-[৫২]-এর সারসংক্ষেপ
এই অংশটি আলাদা নতুন ঘটনা নয়; বরং আগের মর্মের বর্ণনা ইবনু মাজাহ আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই এখানে নতুন কোনো খাবারের আদব বা ওযুর বিধান তৈরি করার সুযোগ নেই। মূল বক্তব্য আগের হাদিসের সঙ্গে যুক্ত: নবী صلى الله عليه وسلم সালাতের জন্য ওযুর নির্দেশের কথা বলেছেন। এমন সংক্ষিপ্ত সূত্র-তথ্য হাদিস পড়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ, কারণ একই কথা বিভিন্ন সাহাবীর মাধ্যমে বর্ণিত হতে পারে। পাঠকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো, এই অংশকে আলাদা পূর্ণ হাদিসের মতো না পড়ে আগের বক্তব্যের সহায়ক বর্ণনা হিসেবে দেখা। এতে হাদিস বোঝা সহজ হয় এবং অতিরিক্ত দাবি থেকে বাঁচা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনা আগের হাদিসের সূত্র-তথ্য।
- একই মর্মের কথা অন্য সাহাবীর মাধ্যমেও আসতে পারে।
- সংক্ষিপ্ত সূত্র থেকে নতুন বিধান বানানো উচিত নয়।
- হাদিস বুঝতে মূল বক্তব্য ও সূত্র আলাদা করে দেখা দরকার।
