২২/৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৪৫০-[৩২] - চুলের যত্ন নেওয়ার নির্দেশ
চুল আঁচড়ানো - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
চুলের যত্ন নেওয়ার নির্দেশ: যার চুল আছে সে যত্ন নিক
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৪৫০-[৩২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৪৫০-[৩২]
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ كَانَ لَهُ شعرٌ فليُكرمه». رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যে ব্যক্তির চুল আছে, সে যেন তা যত্ন নেয়া রাখে।
[১] হাসান সহীহ : আবূ দাঊদ ৪১৬৩, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ৫০০, সহীহ আল জামি‘উস্ সগীর ৬৪৯৩, শু‘আবুল ঈমান ৬৪৫৫, আল মু‘জামুল আওসাত্ব ৮৪৮৫, আল মু‘জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ১৩৪১।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৪৫০-[৩২]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যার চুল আছে, সে যেন তা সম্মান করে বা যত্ন নেয়। অর্থাৎ চুল থাকলে তা এলোমেলো, নোংরা বা অযত্নে ফেলে রাখা ঠিক নয়। হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু দৈনন্দিন জীবনের জন্য দরকারি। চুলের যত্ন মানে অহংকার করা নয়; বরং পরিষ্কার রাখা, আঁচড়ানো, প্রয়োজনমতো তেল দেওয়া এবং মানুষের সামনে শালীনভাবে থাকা। আগের হাদিসে সাজে সংযমের কথা আছে, আর এখানে অযত্ন থেকে বাঁচার কথা আছে। দুইটি মিলিয়ে বুঝলে শিক্ষা দাঁড়ায়: মুসলিমের জীবন হবে পরিষ্কার, পরিপাটি এবং বাড়াবাড়ি থেকে মুক্ত। চুলের যত্ন তাই ব্যক্তিগত আদবের একটি অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চুল থাকলে তা অযত্নে ফেলে রাখা ঠিক নয়।
- পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি থাকা ভালো মুসলিম চরিত্রের অংশ।
- চুলের যত্ন অহংকার নয়, যদি তা শালীনতার মধ্যে থাকে।
- ইসলাম অযত্ন ও বাড়াবাড়ি—দুটিই এড়াতে শেখায়।
