৩/৬. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৬৬-[১৬] - বে-ওজু অবস্থায় সালামের জবাব

নাপাক ব্যক্তির সাথে মেলামেশা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

বে-ওজু অবস্থায় সালামের জবাবের আদব

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৬৬-[১৬]

وَعَنْ نَافِعٍ قَالَ انْطَلَقْتُ مَعَ ابْنِ عُمَرَ فِي حَاجَةٍ فَقَضَى ابْنُ عُمَرَ حَاجَتَه وَكَانَ مِنَ حَدِيثِه يَوْمَئِذٍ أَنْ قَالَ مَرَّ رَجُلٌ فِي سِكَّةٍ مِنْ السِّكَكِ فَلَقِيَ رَسُوْلَ ﷺ وَقَدْ خَرَجَ مِنْ غَائِطٍ أَوْ بَوْلٍ فَسَلَّمَ عَلَيْهِ فَلَمْ يَرُدَّ عَلَيْهِ حَتّى إِذَا كَادَ الرَّجُلُ أَنْ يَتَوَارى فِي السِّكَّةِ ضَرَبَ رَسُوْلُ ﷺ بِيَدَيْهِ عَلَى الْحَائِطِ وَمَسَحَ بِهِمَا وَجْهَه ثُمَّ ضَرَبَ ضَرْبَةً فَمَسَحَ ذِرَاعَيْهِ ثُمَّ رَدَّ عَلَى الرَّجُلِ السَّلَامَ وَقَالَ إِنَّه لَمْ يَمْنَعْنِي أَنْ أَرُدَّ عَلَيْكَ السَّلَامَ اِلَّا أَنِّي لَمْ أَكُنْ عَلى طُهْرٍ.رَوَاهُ أَبُوْ دَاوٗدَ

নাফি’ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

ইবনু উমর কোন কাজে গেলে আমিও তার সাথে গেলাম। তিনি তাঁর কাজ শেষ করলেন। সেদিন তাঁর কথার মধ্যে এ কথাটি ছিল, তিনি বললেন, এক ব্যক্তি কোন একটি গলি দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) প্রস্রাব বা পায়খানা সেরে বের হলেন। ঐ লোকটির সাথে তাঁর (ﷺ)-এর দেখা হলে সে সালাম দিল। কিন্তু তিনি (ﷺ) তার সালামের উত্তর দিলেন না।লোকটি যখন অন্য গলির দিকে মোড় নিচ্ছিল, তিনি (ﷺ) (তায়াম্মুম করার জন্য) দেওয়ালে দুই হাত মেরে মুখমণ্ডলে মাসেহ করলেন। অতঃপর আবার দেওয়ালে হাত মেরে কনুইসহ দুইহাত মাসেহ করলেন (অর্থাৎ তায়াম্মুম করলেন)। এরপর লোকটির সালামের উত্তর দিলেন এবং বললেন, তোমাকে সালামের উত্তর দিতে পারিনি। কারণ আমি বে-ওযু ছিলাম, এটাই ছিল (তোমার সালামের উত্তর দিতে আমার) বাধা। [১]

[১] য‘ঈফ : আবূ দাঊদ ৩৩০। ইমাম আবূ দাঊদ বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু সাবিত তায়াম্মুম বিষয়ে দুর্বল হাদীস বর্ণনা করেছে। আর তিনি দুর্বল।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৬৬-[১৬]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সালামের জবাব এবং পবিত্রতার আদব একসাথে এসেছে। এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে সালাম দিলেন, তখন তিনি প্রস্রাব বা পায়খানা সেরে বের হয়েছিলেন। তিনি সঙ্গে সঙ্গে জবাব দিলেন না। পরে দেয়ালে হাত মেরে মুখমণ্ডল ও কনুইসহ দুই হাত মাসেহ করলেন, অর্থাৎ তায়াম্মুম করলেন। এরপর তিনি লোকটির সালামের উত্তর দিলেন এবং বললেন, তিনি বে-ওজু ছিলেন, এটাই জবাব দিতে বাধা হয়েছিল। এই হাদিসে দেখা যায়, আল্লাহর নামযুক্ত সালামের জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রেও পবিত্রতার প্রতি নবী صلى الله عليه وسلم কতটা যত্নবান ছিলেন। তবে হাদিসটি দেরিতে জবাব দেওয়ার ঘটনা বর্ণনা করছে; তাই এর বাইরে অতিরিক্ত কোনো দাবি না করা ভালো।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সালামের জবাব ইসলামী আদবের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
  • নবী صلى الله عليه وسلم পবিত্রতার প্রতি খুব যত্নশীল ছিলেন।
  • বে-ওজু অবস্থায় আল্লাহর নাম নেওয়ার বিষয়ে সতর্কতা শেখা যায়।
  • অক্ষমতা বা বাধা থাকলে পরে জবাব দেওয়ার উদাহরণ পাওয়া যায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন