২৫/৮. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৭৭৮-[২৯] - মা শা আল্লাহ তারপর অমুক
নাম রাখা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মা শা আল্লাহ তারপর অমুক: তাওহীদ রক্ষার ভাষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৭৭৮-[২৯]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৭৭৮-[২৯]
وَعَنْ حُذَيْفَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لَا تَقُولُوا: مَا شَاءَ اللَّهُ وَشَاءَ فُلَانٌ وَلَكِنْ قُولُوا: مَا شَاءَ اللَّهُ ثُمَّ شَاءَ فلَان. رَوَاهُ أَحْمد وَأَبُو دَاوُد
হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : তোমরা এরূপ বলো না, “যা কিছু আল্লাহ চান এবং অমুক ব্যক্তি চায়”; বরং তোমরা বলবে, “যা কিছু আল্লাহ চান” অতঃপর “অমুক ব্যক্তি চায়”।
[১] সহীহ : আহমাদ ২৩৩৪৭, আবূ দাঊদ ৪৯৮০, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ১৩৭, মুসান্নাফ ইবনু আবূ শায়বাহ্ ২৯৫৭২, সুনানুন্ নাসায়ী আল কুবরা ১০৮২১, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৬০২০।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৭৭৮-[২৯]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তোমরা বলো না: যা কিছু আল্লাহ চান এবং অমুক ব্যক্তি চায়। বরং বলবে: যা কিছু আল্লাহ চান, অতঃপর অমুক ব্যক্তি চায়। এখানে একটি ছোট শব্দের বড় শিক্ষা আছে। আরবি বাক্যে ওয়াও বা এবং বললে দুই ইচ্ছাকে পাশাপাশি একত্র করার মতো শোনা যেতে পারে। তাই নবী صلى الله عليه وسلم তারপর অর্থের শব্দ ব্যবহার করতে বলেছেন, যাতে আল্লাহর ইচ্ছার অগ্রাধিকার ও একক মর্যাদা স্পষ্ট থাকে। এই হাদিস তাওহীদের আদব শেখায়। মানুষের ইচ্ছা, চেষ্টা বা সিদ্ধান্ত থাকতে পারে, কিন্তু তা আল্লাহর ইচ্ছার অধীন। তাই মুখের ভাষায়ও আল্লাহর মর্যাদা আগে রাখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আল্লাহর ইচ্ছাকে মানুষের ইচ্ছার সঙ্গে সমানভাবে বলা যাবে না।
- মা শা আল্লাহ বলার পরে তারপর শব্দ ব্যবহার করা শেখানো হয়েছে।
- মানুষের ইচ্ছা আল্লাহর ইচ্ছার অধীন—এ বিশ্বাস ভাষায় প্রকাশ পেতে হবে।
- ছোট শব্দও তাওহীদের আদবের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।
