২৫/১১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৮৮৩-[৬] - সালাতের সময় হলে অপেক্ষার সীমা
ওয়াদা বা প্রতিশ্রুতি - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
ওয়াদা ও সালাতের সময়ের ভারসাম্য
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৮৮৩-[৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৮৮৩-[৬]
عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ وَعَدَ رَجُلًا فَلَمْ يَأْتِ أَحَدُهُمَا إِلَى وَقْتِ الصَّلَاةِ وَذَهَبَ الَّذِي جَاءَ لِيُصَلِّيَ فَلَا إِثمَ عليهِ». رَوَاهُ رزين
যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যদি কোন ব্যক্তি কারো সাথে ওয়াদা করে, তন্মধ্যে একজন সালাতের সময় পর্যন্ত না আসে, তখন যে ব্যক্তি যথাসময়ে এসেছে, সে যদি যথাসময়ে সালাতে চলে যায়, তবে তার কোন পাপ হবে না।
[১] আলবানী (রহঃ) বলেনঃ কোন নির্ভরযোগ্য কিতাবে আমি এ হাদীসটির সনদ পাইনি।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৮৮৩-[৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ওয়াদা পালন এবং সালাতের সময়—দুইটি বিষয় একসাথে এসেছে। কেউ কারো সঙ্গে দেখা করার ওয়াদা করল। কিন্তু তাদের একজন সালাতের সময় পর্যন্ত এসে পৌঁছাল না। তখন যে ব্যক্তি সময়মতো এসেছিল, সে যদি সালাত আদায়ের জন্য চলে যায়, তার কোনো পাপ হবে না। অর্থাৎ প্রতিশ্রুতি রক্ষা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সালাতের সময়ও অবহেলার বিষয় নয়। হাদিসটি আমাদের শেখায়, কারো জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে নিজের দ্বীনি দায়িত্ব নষ্ট করা ঠিক নয়। আবার এটিও বোঝায় যে সময়ের মূল্য আছে। যে দেরি করছে, তার কারণে সময়মতো আসা ব্যক্তি দোষী হবে না। ওয়াদা, সময়নিষ্ঠা এবং নামাজের আদব—এ তিনটি শিক্ষা এখানে খুব পরিষ্কার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতের সময় হলে অকারণে দেরি করা ঠিক নয়।
- ওয়াদায় সময়মতো আসা দায়িত্বশীল আচরণ।
- অন্যের দেরির কারণে সালাত ছেড়ে রাখা উচিত নয়।
- যে সময়মতো এসেছে, তার ওপর দোষ চাপানো ঠিক নয়।
