২৫/১৯. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫০৯৩-[২৬] - লজ্জা ও ঈমানের গভীর সম্পর্ক

নম্রতা, লজ্জাশীলতা ও উত্তম স্বভাব - তৃতীয় অনুচ্ছেদ

লজ্জা ও ঈমান: মুমিনের দুই সাথী

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৫০৯৩-[২৬]

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ الْحَيَاءَ وَالْإِيمَانَ قُرَنَاءُ جَمِيعًا فإِذا رفع أَحدهمَا رفع الآخر»

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেন : লজ্জা ও ঈমানকে এক স্থানে রাখা হয়েছে (অর্থাৎ- এরা পরস্পর অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত)। যখন তাদের মধ্য থেকে একটিকে উঠিয়ে নেয়া হয়, তখন অপরটিকেও উঠিয়ে নেয়া হয়।

[১] সহীহ : শু‘আবুল ঈমান ৭৭২৬, সহীহ আত্ তারগীব ২৬৩, সহীহ আল আদাবুল মুফরাদ ৯৯১, মুসান্নাফ ইবনু আল শায়বাহ্ ৩০৩৭২, আর মুসতাদরাক ৫৮।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫০৯৩-[২৬]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে লজ্জা ও ঈমানের সম্পর্ক খুব শক্তভাবে বলা হয়েছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, লজ্জা ও ঈমান একসাথে রাখা হয়েছে; তাদের মধ্য থেকে একটি উঠিয়ে নেওয়া হলে অপরটিকেও উঠিয়ে নেওয়া হয়। এর অর্থ হলো, লজ্জাশীলতা মুমিনের ঈমানি চরিত্রের সাথে গভীরভাবে যুক্ত। যে লজ্জা মানুষকে অশ্লীলতা, খারাপ কথা, বেহায়াপনা এবং সীমা ভাঙা থেকে বাঁচায়, সেটি ঈমানকে সুন্দর করে। আবার যখন মানুষ লজ্জাকে একেবারে হারিয়ে ফেলে, তখন তার আচরণে ঈমানের সৌন্দর্যও দুর্বল হতে পারে। এখানে লজ্জা মানে সত্য থেকে পালানো নয়; বরং আল্লাহর সামনে জবাবদিহির অনুভূতি নিয়ে নিজেকে সামলানো। তাই মুমিনের জন্য হায়া বা লজ্জাশীলতা শুধু সামাজিক ভদ্রতা নয়, ঈমানের সঙ্গে জড়িত একটি বড় গুণ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • লজ্জা ও ঈমান একে অপরের সাথে গভীরভাবে যুক্ত।
  • বেহায়াপনা ঈমানি চরিত্রকে দুর্বল করতে পারে।
  • লজ্জা মানুষকে অশালীনতা থেকে বাঁচাতে সাহায্য করে।
  • সত্য বলা থেকে বিরত থাকা প্রকৃত লজ্জা নয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন