২৫/১৯. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫০৯৪-[২৭] - একটি গেলে অপরটিও যায়
নম্রতা, লজ্জাশীলতা ও উত্তম স্বভাব - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
লজ্জা হারালে ঈমানি সৌন্দর্য দুর্বল হয়
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৫০৯৪-[২৭]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৫০৯৪-[২৭]
وَفِي رِوَايَةِ ابْنِ عَبَّاسٍ: «فَإِذَا سُلِبَ أَحَدُهُمَا تَبِعَهُ الْآخَرُ». رَوَاهُ الْبَيْهَقِيُّ فِي «شُعَبِ الْإِيمَانِ»
ইবনু 'আব্বাস (রাঃ)-এর বর্ণনায় এ মর্মে উল্লেখ আছে যে, যখন লজ্জা ও ঈমানের মধ্য থেকে যে কোন একটি দূর করা হয়, তখন অপরটিও চলে যায়।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫০৯৪-[২৭]-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর সূত্রে একই অর্থ আরও পরিষ্কারভাবে এসেছে। বলা হয়েছে, লজ্জা ও ঈমানের মধ্যে যে কোনো একটি দূর করা হলে অপরটিও তার অনুসরণ করে চলে যায়। অর্থাৎ হায়া ও ঈমান আলাদা আলাদা নয়; মুমিনের জীবনে তারা একে অপরকে শক্তি দেয়। যখন লজ্জাশীলতা থাকে, তখন মানুষ নিজের কথা, কাজ ও আচরণে সীমা মানতে শেখে। আর যখন লজ্জা হারিয়ে যায়, তখন পাপকে হালকা মনে করা, খারাপ কথায় অভ্যস্ত হওয়া বা মানুষের সামনে বেহায়া আচরণ করা সহজ হয়ে যায়। এই হাদিস তাই মুমিনকে নিজের ভেতরের লজ্জাবোধ রক্ষা করতে বলে। তবে লজ্জা যেন ভালো কাজ বা সত্য কথা বলা থেকে বাধা না দেয়—এ ভারসাম্যও মনে রাখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- লজ্জা রক্ষা করা ঈমানি চরিত্র রক্ষার অংশ।
- লজ্জা হারালে খারাপ আচরণ সহজ হয়ে যেতে পারে।
- হায়া মানুষকে কথা ও কাজে সীমা মানতে শেখায়।
- সঠিক লজ্জা ভালো কাজের পথে বাধা নয়।
