৩/৮. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫১৬-[২৭] - খাওয়ার যোগ্য পশুর প্রস্রাব
অপবিত্রতা হতে পবিত্রতা অর্জন - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
খাওয়ার যোগ্য পশুর প্রস্রাবের বিধান
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৫১৬-[২৭]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৫১৬-[২৭]
وَفِيْ رِوَايَةِ جَابِرٍ قَالَ مَا اُكِلَ لَحْمُه فَلَا بَاْسَ بَبَوْلِه. رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالدَّارَقُطْنِيْ
জাবির (ইবনু ‘আবদুল্লাহ) (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যে জীব-জন্তুর গোশত খাওয়া হয় তার প্রস্রাবে দোষ নেই। [১]
[১] য‘ঈফ : দারাকুত্বনী ১/১২৮।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫১৬-[২৭]-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় জাবির (রাঃ) থেকে এসেছে, যে জীব-জন্তুর গোশত খাওয়া হয় তার প্রস্রাবে দোষ নেই। এটি আগের বর্ণনার মতো একই বিষয়ের আরেকটি বক্তব্য। হাদিসটি পবিত্রতা নিয়ে একটি নির্দিষ্ট নীতি শেখায়: প্রাণীটি এমন হতে হবে যার গোশত খাওয়া হয়। তাই খাওয়ার অযোগ্য বা হারাম প্রাণীর প্রস্রাবের সঙ্গে এই বিধান মিশিয়ে ফেলা উচিত নয়। গ্রামীণ জীবন, পশুপালন বা দৈনন্দিন চলাফেরায় এমন প্রশ্ন বেশি আসে। এই হাদিস সেই বিষয়ে সহজ উত্তর দেয়। পবিত্রতার শিক্ষা এখানে ভারসাম্যপূর্ণ—যেখানে দোষ নেই বলা হয়েছে, সেখানে অযথা কষ্ট করার দরকার নেই; আবার বিধানের সীমাও মানতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- যে জীবের গোশত খাওয়া হয়, তার প্রস্রাবে দোষ নেই বলা হয়েছে।
- বিধানটি নির্দিষ্ট প্রাণীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হিসেবে বুঝতে হবে।
- পবিত্রতা নিয়ে অযথা কঠোরতা না করে হাদিস অনুযায়ী চলা উচিত।
- দৈনন্দিন পশুপালনের জীবনে এই শিক্ষা কাজে লাগে।
