২৭/২. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৪৪৬-[১০] - হিজাযের আগুনের আলামত

কেয়ামতের আলামত - প্রথম অনুচ্ছেদ

হিজায ভূমির আগুন: কেয়ামতের একটি আলামত

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৫৪৪৬-[১০]

وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تَخْرُجَ نَارٌ مِنْ أَرْضِ الْحِجَازِ تُضِيءُ أعناقَ الإِبلِ ببُصْرى». مُتَّفق عَلَيْهِ متفق علیہ ، رواہ البخاری (7118) و مسلم (42 / 2902)، (7289) ۔ (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : ততক্ষণ পর্যন্ত কেয়ামত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত হিজায ভূমি থেকে একটি অগ্নি প্রকাশিত না হবে, (যার দরুন) বাসরায় অবস্থানরত উটের গলা পর্যন্ত আলোকিত হয়ে যাবে।

সহীহ: বুখারী ৭১১৮, মুসলিম ৪২-(২৯০২), সিলসিলাতুস সহীহাহ ৩০৮৩, সহীহুল জামি ৭৪০৯, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ৮০৮।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৪৪৬-[১০]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم কেয়ামতের একটি বড় আলামতের কথা বলেছেন। তিনি জানান, কেয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না হিজায ভূমি থেকে একটি আগুন বের হয়। সেই আগুনের আলো এত দূর পর্যন্ত পৌঁছাবে যে বাসরায় থাকা উটের গলাও আলোকিত হবে। হাদিসটি কেয়ামতের আলামত এবং শেষ যুগের নিদর্শন সম্পর্কে স্পষ্ট বক্তব্য দেয়। এখানে আমাদের জন্য শিক্ষা হলো, কেয়ামতের বিষয়টি সত্য এবং আল্লাহর ইচ্ছায় এর আগে কিছু নিদর্শন প্রকাশ পাবে। তবে নির্দিষ্ট ঘটনা নিয়ে বাড়াবাড়ি ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। হাদিসের ভাষা যতটুকু বলেছে, ততটুকুই বিশ্বাস করা নিরাপদ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কেয়ামতের আগে কিছু বিশেষ আলামত প্রকাশ পাবে।
  • হিজাযের আগুন নবী صلى الله عليه وسلم-এর বর্ণিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
  • গায়েবের খবর গ্রহণে হাদিসের ভাষা মেনে চলা জরুরি।
  • কেয়ামতের আলামত মানুষকে আল্লাহর দিকে ফিরে আসার কথা মনে করায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন