২৭/২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৪৪৭-[১১] - মানুষকে একত্রকারী আগুন
কেয়ামতের আলামত - প্রথম অনুচ্ছেদ
মানুষকে পূর্ব থেকে পশ্চিমে একত্র করবে যে আগুন
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৫৪৪৭-[১১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৫৪৪৭-[১১]
وَعَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَوَّلُ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ نَارٌ تَحْشُرُ النَّاسَ مِنَ الْمَشْرِقِ إِلَى الْمَغْرِبِ». رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ رواہ البخاری (3329) ۔ (صَحِيح)
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : কেয়ামত আসার প্রথম নিদর্শন হলো, এমন এক আগুন বের হবে, তা মানুষদেরকে পূর্বদিক থেকে তাড়িয়ে পশ্চিমদিকে নিয়ে একত্রিত করবে।
সহীহ: বুখারী ৪৪৮০, মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ্ ৩৫৯৮৭।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৪৪৭-[১১]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم কেয়ামতের একটি প্রথম নিদর্শনের কথা বলেছেন। তিনি জানান, এমন এক আগুন বের হবে, যা মানুষকে পূর্বদিক থেকে তাড়িয়ে পশ্চিমদিকে নিয়ে একত্র করবে। এখানে মূল বিষয় হলো কেয়ামতের আলামত এবং মানুষের সমবেত হওয়ার একটি বড় ঘটনা। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত, তাই এর বাইরে বাড়তি ব্যাখ্যা বা নির্দিষ্ট স্থান-কাল নির্ধারণ করা ঠিক নয়। এই বর্ণনা আমাদের মনে করায়, দুনিয়ার জীবন স্থায়ী নয় এবং শেষ সময়ের কিছু ঘটনা মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে পাল্টে দেবে। তাই মুমিনের জন্য প্রস্তুতি হলো ঈমান, আমল এবং আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর কথা মনে রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কেয়ামতের আগে মানুষকে একত্র করার মতো বড় ঘটনা ঘটবে।
- শেষ সময়ের আলামত নিয়ে হাদিসের সীমা মানা উচিত।
- দুনিয়ার স্থায়িত্ব নিয়ে অহংকার করা ঠিক নয়।
- কেয়ামতের কথা স্মরণ মানুষকে আমলের দিকে ফিরিয়ে আনে।
