২৭/২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৪৫৮-[২২] - ফিতনা
কেয়ামতের আলামত - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৫৪৫৮-[২২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৫৪৫৮-[২২]
وَعَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَخْرُجُ رَجُلٌ مِنْ وَرَاءِ النَّهْرِ يُقَالُ لَهُ: الْحَارِثُ حَرَّاثٌ عَلَى مُقَدِّمَتِهِ رَجُلٌ يُقَالُ لَهُ: مَنْصُورٌ يُوَطِّنُ أَوْ يُمَكِّنُ لِآلِ مُحَمَّدٍ كَمَا مَكَّنَتْ قُرَيْشٌ لِرَسُولِ اللَّهِ وَجَبَ عَلَى كُلِّ مُؤْمِنٍ نَصْرُهُ - أَوْ قَالَ: إِجَابَتُهُ -. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ اسنادہ ضعیف، رواہ ابوداؤد (2 / 4290) * فیہ ابو الحسن الکوفی و ھلال بن عمرو : مجھولان ۔ (ضَعِيفٌ)
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : (শেষ যামানায় নহরের ঐ প্রান্ত (তথা বুখারা ও সমরকন্দ প্রভৃতি স্থান) থেকে এক ব্যক্তির আগমন ঘটবে, যিনি ‘হারিসে হার্রাস' নামে পরিচিত হবেন (হার্াস অর্থ কৃষক বা চাষি)। তার সেনাবাহিনীর সম্মুখভাগে ‘মানসূর’ নামে এক ব্যক্তি থাকবেন। তিনি মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর পরিবার-পরিজনকে (ইমাম মাহদীকে) এমনভাবে আশ্রয় দান করবেন যেমনভাবে কুরায়শগণ আশ্রয় দিয়েছিল রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে। তখন সমস্ত ঈমানদারের ওপর তাকে (হারিস অথবা মানসূরকে) সাহায্য করা কিংবা তিনি (ﷺ) বলেছেন, তার ডাকে সাড়া দেয়া ওয়াজিব হয়ে যাবে।
যঈফ: কারণ আবু ইসহাক মাজহুল; আবু দাউদ ৪২৯০, য'ঈফুল জামি ৬৪১৮।
