২৮/৯. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৭২১-[২৪] - যাকারিয়্যা আঃ ও হালাল পেশা
সৃষ্টির সূচনা ও নবী-রসুলদের আলোচনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
যাকারিয়্যা আঃ সুতার মিস্ত্রি ছিলেন
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৫৭২১-[২৪]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৫৭২১-[২৪]
وَعَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «كَانَ زَكَرِيَّاء نجارا». رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (169 / 2379)، (6162) ۔ (صَحِيح)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যাকারিয়্যা (আঃ) সুতার মিস্ত্রি ছিলেন।
সহীহঃ মুসলিম ১৬৯-(২৩৭৯)।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৭২১-[২৪]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم খুব সংক্ষিপ্তভাবে বলেছেন যে যাকারিয়্যা আঃ সুতার মিস্ত্রি ছিলেন। ছোট বাক্য হলেও এতে হালাল পেশা ও নিজ হাতে কাজ করার সুন্দর শিক্ষা আছে। একজন নবী আল্লাহর মনোনীত বান্দা, তবুও তিনি মানুষের প্রয়োজনের কাজ করতেন। এতে বোঝা যায়, সম্মান শুধু পদ বা পরিচয়ে নয়; হালাল কাজও মর্যাদার বিষয়। কাঠের কাজ, কারিগরি কাজ বা যে কোনো বৈধ পেশা ইসলামের চোখে হেয় নয়। এই বর্ণনা মানুষকে অলসতা থেকে দূরে রাখে এবং নিজ শ্রমে জীবিকা অর্জনের উৎসাহ দেয়। যারা হালাল রুজি, নবীদের পেশা বা যাকারিয়্যা আঃ সম্পর্কে জানতে চান, তাদের জন্য এটি খুব সহজ ও শক্তিশালী বার্তা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হালাল পেশা মানুষের জন্য সম্মানের কাজ।
- নবীগণের জীবনেও নিজ হাতে কাজ করার উদাহরণ আছে।
- কারিগরি বা শ্রমনির্ভর কাজকে ছোট মনে করা ঠিক নয়।
- জীবিকা অর্জনে সততা ও বৈধ পথকে গুরুত্ব দিতে হবে।
