২৯/৩. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৮২৬-[২৬] - নবীজির নীরব থাকার অভ্যাস

রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর স্বভাব-চরিত্রের বর্ণনা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

নবীজির নীরবতা ও ভেবে কথা বলার শিক্ষা

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৫৮২৬-[২৬]

وَعَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَوِيلَ الصَّمْتِ.رَوَاهُ فِي «شرح السّنة» حسن ، رواہ البغوی فی شرح السنۃ (13 / 256 ح 3695 ، و فی الانوار فی شمائل النبی المختار بتحقیقی : 331) [و احمد (5 / 86 ، 105) و الترمذی (2850) و مسلم (2322 مختصرًا)] ۔ (صَحِيح)

জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অধিক সময় নীরব থাকতেন।

হাসান: শারহুস্ সুন্নাহ্ ৩৬৯৫, সহীহুল জামি ৪৮২২, মুসনাদে আহমাদ ২০৮২৯, শু’আবূল ঈমান ৯৩০, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব তবারানী ১৯২০, আল মু'জামুল আওসাত্ব ৭০৩১।

অনুবাদের উৎস

প্রকাশক:
হাদিস একাডেমী
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৮২৬-[২৬]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) বলেছেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم অধিক সময় নীরব থাকতেন। নীরবতা এখানে দুর্বলতা বা দূরত্বের অর্থে নয়; বরং কথার মর্যাদা রাখার একটি শিক্ষা। নবীজি প্রয়োজনের সময় কথা বলতেন, কিন্তু অর্থহীন বা বেশি কথায় অভ্যস্ত ছিলেন না। এই হাদিস আমাদের শেখায়, কথা বলার আগে ভাবা, অপ্রয়োজনীয় কথা কমানো এবং শান্ত স্বভাব রাখা ভালো। আজকের জীবনে অনেক সময় বেশি কথা, তর্ক বা দ্রুত প্রতিক্রিয়া মানুষকে ভুলের দিকে নিয়ে যায়। নবীজির নীরব থাকার অভ্যাস আমাদের মনে করায়, সুন্দর চরিত্রের একটি অংশ হলো কথা ও নীরবতার মধ্যে ভারসাম্য রাখা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • অপ্রয়োজনীয় কথা কম বলা ভালো চরিত্রের অংশ।
  • কথা বলার আগে ভাবা ভুল কমাতে সাহায্য করে।
  • নীরবতা কখনো কখনো মর্যাদা ও স্থিরতার পরিচয় দেয়।
  • শান্ত স্বভাব মানুষের সাথে সম্পর্ক সুন্দর রাখে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন