২৯/৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৮২৭-[২৭] - নবীজির স্পষ্ট ও ধীর কথা
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর স্বভাব-চরিত্রের বর্ণনা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
নবীজির স্পষ্ট কথা ও ধীর ভাষার আদব
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৫৮২৭-[২৭]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৫৮২৭-[২৭]
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: كَانَ فِي كَلَامَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ تَرْتِيلٌ وَتَرْسِيلٌ.رَوَاهُ أَبُو دَاوُد اسنادہ ضعیف ، رواہ ابوداؤد (4838) * الشیخ ، الراوی عن جابر رضی اللہ عنہ : مجھول
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কথায় ছিল খুবই স্পষ্টতা ও ধীরগতি।
সহীহ: আবূ দাউদ ৪৮৩৮, মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ ২৬২৯৪, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৫৯৭০।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৫৮২৭-[২৭]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর কথায় ছিল স্পষ্টতা ও ধীরগতি। তিনি এমনভাবে কথা বলতেন, যাতে শ্রোতা বুঝতে পারে। দ্রুত, অস্পষ্ট বা জটিলভাবে কথা বলা অনেক সময় মানুষের জন্য কষ্টকর হয়। নবীজির কথার ধরন আমাদের শেখায়, কথা বলার উদ্দেশ্য শুধু বলা নয়; বরং অপর মানুষকে বুঝানো। বর্ণনার শেষে সনদ দুর্বল বলা হয়েছে, তাই এটিকে সতর্কভাবে উল্লেখ করা ভালো। তবে অর্থটি ৫৮২৮ নম্বর হাদিসের শিক্ষার সাথে মিলে যায়, যেখানে তাঁর বাক্য আলাদা আলাদাভাবে বলার কথা এসেছে। তাই মূল শিক্ষা হলো, কথা বলার সময় স্পষ্টতা, ধীরতা এবং শ্রোতার সুবিধা রাখা ভালো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কথা এমনভাবে বলা উচিত, যাতে শ্রোতা সহজে বুঝতে পারে।
- ধীরে ও পরিষ্কার কথা বলা ভালো যোগাযোগের অংশ।
- অস্পষ্ট বা তাড়াহুড়া করে বলা কথা ভুল বোঝাবুঝি বাড়াতে পারে।
- শ্রোতার সুবিধা রাখা নবীজির কথার আদব থেকে শেখা যায়।
