৩০/১০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬১৬২-[২৮] - জান্নাতে জাফর রাঃ-এর মর্যাদা
নবী-এর পরিবার-পরিজনদের মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
জান্নাতে জাফর রাঃ ফেরেশতাদের সাথে
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৬১৬২-[২৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৬১৬২-[২৮]
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «رَأَيْتُ جَعْفَرًا يَطِيرُ فِي الْجَنَّةِ مَعَ الْمَلَائِكَةِ». رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ حسن، رواہ الترمذی (3763) ۔ (صَحِيح)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : আমি জান্নাতে জা—ফার-কে মালায়িকাহ্'র (ফেরেশতাদের) সাথে উড়তে দেখেছি। [ইমাম তিরমিযী (রহঃ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, হাদীসটি গরীব]
সহীহ: তিরমিযী ৩৭৬৩, সিলসিলাতুস সহীহাহ্ ১২২৬।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬১৬২-[২৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাফর রাঃ-এর একটি বিশেষ মর্যাদার কথা এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তিনি জাফর রাঃ-কে জান্নাতে ফেরেশতাদের সঙ্গে উড়তে দেখেছেন। এটি জাফর রাঃ-এর প্রতি আল্লাহর সম্মান ও নবী صلى الله عليه وسلم-এর মুখে তাঁর মর্যাদা প্রকাশের একটি বড় বর্ণনা। এখানে মূল শিক্ষা হলো, আল্লাহর পথে ত্যাগ ও নবী صلى الله عليه وسلم-এর সান্নিধ্যে গড়া ঈমানি জীবন মানুষের মর্যাদাকে উচ্চ করে। হাদিসে বিস্তারিত ঘটনা বলা হয়নি; তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত কাহিনি যোগ না করে শুধু এই বক্তব্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। জাফর রাঃ-এর মর্যাদা, জান্নাতের সম্মান এবং সাহাবাদের ফজিলত—এসব বিষয় এই বর্ণনার কেন্দ্রীয় দিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জাফর রাঃ-এর মর্যাদা নবী صلى الله عليه وسلم-এর বর্ণনায় স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
- জান্নাতের সম্মান আল্লাহর দান; মানুষ তা নিজের দাবি হিসেবে নিতে পারে না।
- সাহাবাদের ফজিলত আলোচনা করলে বর্ণনার সীমা ও ভাষার সতর্কতা রাখা দরকার।
