৩০/১৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬২৭১-[৬] - শাম ও ইয়ামানের জন্য বরকতের দোয়া
বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাহাবীদের নামের তালিকা ইমাম বুখারির আল জামিতে যেভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
শাম ও ইয়ামানের বরকত এবং নাজদের সতর্কতা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৬২৭১-[৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৬২৭১-[৬]
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي شَامِنَا اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي يَمَنِنَا». قَالُوا: يَا رَسُولَ اللَّهِ وَفِي نَجْدِنَا؟ فَأَظُنُّهُ قَالَ فِي الثَّالِثَةِ: «هُنَاكَ الزَّلَازِلُ وَالْفِتَنُ وَبِهَا يَطْلُعُ قرن الشَّيْطَان» . رَوَاهُ البُخَارِيّ رواہ البخاری (7095) ۔ (صَحِيح)
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদিন নবী (ﷺ) (দোয়ায়) বললেন, “হে আল্লাহ! শাম দেশে আমাদের জন্য বারাকাত দান করুন। হে আল্লাহ! ইয়ামান দেশে আমাদের জন্য বারাকাত তিনি দান করুন।” তখন সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল। আমাদের নাজদের জন্যও (দোয়া করুন। (ﷺ) আবারও বললেন, “হে আল্লাহ। শাম দেশে আমাদের জন্য বারাকাত দান করুন। হে আল্লাহ! আমাদের ইয়ামান দেশে আমাদের জন্য বারাকাত দান করুন।” এবারও সাহাবীগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল। আমাদের নাজদের জন্যও। বর্ণনাকারী (ইবনু 'উমর (রাঃ)) বলেন, আমার ধারণা, তিনি তৃতীয়বারে বললেন, সেখান থেকে শায়ত্বনের শিং উদিত হবে।
সহীহ: বুখারী ১০৩৭, তিরমিযী ৩৯৫৩, সিলসিলাতুস সহীহাহ ২২৪৬, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত তারহীব ৩০৮৬।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬২৭১-[৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم শাম ও ইয়ামানের জন্য বরকতের দোয়া করেছেন। তিনি বলেন, হে আল্লাহ, আমাদের শামে বরকত দিন; হে আল্লাহ, আমাদের ইয়ামানে বরকত দিন। সাহাবীরা নাজদের জন্যও দোয়ার কথা বললে তিনি আবার শাম ও ইয়ামানের জন্য দোয়া করেন। বর্ণনাকারীর ধারণা অনুযায়ী, তৃতীয়বারে তিনি বলেন, সেখান থেকে ভূকম্পন ও ফিতনা হবে এবং শয়তানের শিং উদিত হবে। এখানে শাম ও ইয়ামানের মর্যাদা এবং নাজদ সম্পর্কিত সতর্কতা এসেছে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, বরকত আল্লাহর দান এবং ফিতনার স্থান ও লক্ষণ সম্পর্কে নবী صلى الله عليه وسلم উম্মতকে সাবধান করেছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বরকত আল্লাহর কাছে চাওয়ার বিষয়।
- শাম ও ইয়ামানের জন্য নবী صلى الله عليه وسلم বিশেষ দোয়া করেছেন।
- ফিতনা সম্পর্কে সতর্ক থাকা দরকার।
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর সতর্ক বাণীকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
