৪/৫. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬৭৬-[২৩] - দৃঢ় বিশ্বাসে আযানের জবাব
আজানের ফজিলত ও মুয়াজ্জিনের উত্তর দান - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
দৃঢ় প্রত্যয়ে আযানের জবাবের ফজিলত
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৬৭৬-[২৩]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৬৭৬-[২৩]
وَعَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ فَقَامَ بِلَالٌ يُنَادِي فَلَمَّا سَكَتَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ مَنْ قَالَ مِثْلَ هذَا دَخَلَ الْجَنَّةَ. رَوَاهُ النِّسَآئِىُّ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে যাচ্ছিলাম, বিলাল (রাঃ) দাঁড়িয়ে আযান দিতে লাগলেন। আযান শেষে বিলাল (রাঃ) চুপ করলে রাসূল (ﷺ) বললেন, যে ব্যক্তি অন্তরের দৃঢ় প্রত্যয়ের সাথে এর মত বলবে, সে অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে। [১]
[১] সহীহ : নাসায়ী ৬৭৪, সহীহ আল জামি‘ ২৪৬।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬৭৬-[২৩]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, তাঁরা রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে যাচ্ছিলেন। বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু দাঁড়িয়ে আযান দিলেন। আযান শেষ হলে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বললেন, যে ব্যক্তি অন্তরের দৃঢ় প্রত্যয়ের সঙ্গে এর মতো বলবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। এই হাদিসে শুধু শব্দ উচ্চারণ নয়, অন্তরের বিশ্বাসের কথাও এসেছে। আযানের বাক্যগুলো তাওহীদ, রিসালাত, সালাত ও সফলতার ডাক। কেউ যদি এগুলো বুঝে, বিশ্বাস করে এবং জবাব দেয়, তাহলে তা ঈমানের পরিচয় বহন করে। তাই আযানের জবাব দেওয়ার সময় মনোযোগ, বিশ্বাস ও আন্তরিকতা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আযানের জবাব শুধু মুখের কাজ নয়, অন্তরের বিশ্বাসও দরকার।
- তাওহীদ ও রিসালাতের সাক্ষ্য দৃঢ়ভাবে বলা ঈমানের প্রকাশ।
- আযান শেষ হলে অমনোযোগী না হয়ে জবাবের আমল করা উচিত।
- হাদিসে দৃঢ় প্রত্যয়ের সঙ্গে জবাব দেওয়ার বড় সুসংবাদ এসেছে।
