৪/৫. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬৭৭-[২৪] - আযানে সাক্ষ্যের জবাব
আজানের ফজিলত ও মুয়াজ্জিনের উত্তর দান - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
আযানের সাক্ষ্যে ‘আমিও’ বলে সাড়া
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৬৭৭-[২৪]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৬৭৭-[২৪]
وَعَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ كَانَ النَّبِيّ ﷺ إِذَا سَمِعَ الْمُؤَذِّنَ يَتَشَهَّدُ قَالَ وَأَنَا وَأَنَا. رَوَاهُ أَبُوْ دَاوٗدَ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) যখন মুয়াজ্জিনকে, “আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ” ও “আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লা-হ” বলতে শুনতেন তখন বলতেন, ‘আনা আনা’ (‘আর আমিও’ ‘আর আমিও’) অর্থাৎ আমিও সাক্ষ্য দিচ্ছি। [১]
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ৫২৬, সহীহ আত্ তারগীব ২৫৮।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬৭৭-[২৪]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, নবী صلى الله عليه وسلم যখন মুয়াযযিনকে ‘আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এবং ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ’ বলতে শুনতেন, তখন বলতেন, ‘ওয়া আনা, ওয়া আনা’—অর্থাৎ আমিও, আমিও। এর মাধ্যমে নবী صلى الله عليه وسلم আযানের সাক্ষ্য বাক্যগুলোর সঙ্গে নিজের সাক্ষ্য প্রকাশ করতেন। এই শিক্ষা খুব সহজ, কিন্তু গভীর। আযান শুনলে মুমিন শুধু শ্রোতা থাকে না; সে আল্লাহর একত্ব ও রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর রিসালাতের সাক্ষ্যে অংশ নেয়। তাই আযানের সময় কথাবার্তা কমিয়ে মন দিয়ে জবাব দেওয়া এবং ঈমানের কথাগুলো অন্তরে নতুন করে জাগানো উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আযানের সাক্ষ্য বাক্য শুনে ঈমানী জবাব দেওয়া শেখানো হয়েছে।
- তাওহীদ ও রিসালাতের সাক্ষ্য মুমিনের পরিচয়।
- আযান শুনে অমনোযোগী না হয়ে অন্তরসহ সাড়া দেওয়া দরকার।
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর আমল আযানের জবাবকে গুরুত্ব দেয়।
