৪/৫. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬৭৮-[২৫] - বার বছর আযানের সাওয়াব
আজানের ফজিলত ও মুয়াজ্জিনের উত্তর দান - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
বার বছর আযান দেওয়ার ফজিলত
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৬৭৮-[২৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৬৭৮-[২৫]
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ قَالَ مَنْ أَذَّنَ ثِنْتَيْ عَشْرَةَ سَنَةً وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ وَكُتِبَ لَه بِتَأْذِينِه فِي كُلِّ يَوْمٍ سِتُّونَ حَسَنَةً وَلِكُلِّ إِقَامَةٍ ثَلَاثُونَ حَسَنَةً. رَوَاهُ ابن مَاجَةَ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যে ব্যক্তি বার বছর পর্যন্ত আযান দিবে তার আযানের বিনিময়ে প্রতিদিন তার ‘আমালনামায় ষাটটি নেকী ও প্রত্যেক ইক্বামাতের পরিবর্তে ত্রিশ নেকী লেখা হবে। [১]
[১] সহীহ লিগয়রিহী : ইবনু মাজাহ্ ৭২৮, সহীহ আত্ তারগীব ২৪৮। যদিও এর সানাদে ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালিহ নামে একজন দুর্বল রাবী থাকায় তা দুর্বল কিন্তু এর শাহিদ রিওয়ায়াত থাকায় তা সহীহ-এর স্তরে উন্নীত হয়েছে।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৬৭৮-[২৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি বার বছর আযান দেয়, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়। আরও বলা হয়েছে, তার প্রতিদিনের আযানের বিনিময়ে ষাটটি নেকী এবং প্রত্যেক ইকামতের বিনিময়ে ত্রিশটি নেকী লেখা হবে। এই বর্ণনা মুয়াযযিনের কাজের ধারাবাহিকতা ও মর্যাদা বুঝায়। আযান প্রতিদিন পাঁচবার মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকে। এই ডাক নিয়মিত দেওয়া সহজ কাজ নয়; এতে সময়, দায়িত্ববোধ এবং ধৈর্য লাগে। তাই হাদিসে এর বড় সাওয়াবের কথা এসেছে। তবে এই আমলের মূল সৌন্দর্য হলো আল্লাহর দিকে মানুষকে আহ্বান করা এবং সালাতের সময়ের কথা মনে করিয়ে দেওয়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নিয়মিত আযান দেওয়া বড় সাওয়াবের কাজ।
- আযান ও ইকামত দুটির জন্যই নেকীর কথা এসেছে।
- মুয়াযযিনের কাজ ধৈর্য ও দায়িত্বের কাজ।
- মানুষকে সালাতের দিকে ডাক দেওয়া সম্মানিত আমল।
