৪/১৮. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৯৭৬-[১৮] - ফজর-মাগরিব যিকিরের ভিন্ন বর্ণনা
সালাতের পর যিকর-আজকার - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
তিরমিযীর বর্ণনায় যিকিরের শব্দভেদ
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৯৭৬-[১৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৯৭৬-[১৮]
وَرَوَى التِّرْمِذِيُّ نَحْوَه عَنْ أَبِي ذَرٍّ إِلى قَوْلِه: «إِلَّا الشِّرْكَ» وَلَمْ يَذْكُرْ: «صَلَاةَ الْمَغْرِبِ» وَلَا «بِيَدِهِ الْخَيْرُ» وَقَالَ: هذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيْحٌ غَرِيْبٌ
আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এ বর্ণনাটি ইমাম তিরমিযী (রহঃ) আবূ যার (রাঃ)-এর সূত্রে إِلَّا الشِّرْكَ “ইল্লাশ্ শির্কা” পর্যন্ত হুবহু বর্ণনা করেছেন। সে তার বর্ণনায় صَلَاةَ الْمَغْرِبِ “সালা-তাল মাগরিব” ও بِيَدِهِ الْخَيْرُ “বিয়াদিহিল খয়র” শব্দ উল্লেখ করেনি। (তিনি [তিরমিযী] বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ গরীব।) [১]
[১] হাসান লিগায়রিহী : তিরমিযী ৩৪৭৪, সহীহ আত্ তারগীব ৪৭২ সুনানুল কুবরা ৯৬৭।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৯৭৬-[১৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি আগের বর্ণনার মতো একটি সংক্ষিপ্ত ভিন্ন বর্ণনা। এখানে বলা হয়েছে, ইমাম তিরমিযী আবূ যর রা.-এর সূত্রে ‘ইল্লাশ শির্ক’ পর্যন্ত অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তাঁর বর্ণনায় ‘সালাতাল মাগরিব’ এবং ‘বিয়াদিহিল খাইর’ শব্দ দুটি উল্লেখ নেই। শেষে তিরমিযীর মন্তব্য এসেছে—হাদিসটি হাসান সহীহ গরীব। এই ধরনের বর্ণনা পাঠককে শেখায় যে একই আমলের হাদিসে কখনও শব্দভেদ থাকতে পারে। তাই সালাতের পর যিকির শেখার সময় শুধু অর্থ নয়, বর্ণনার ভাষা ও সূত্রের কথাও খেয়াল করা ভালো। এখানে মূল বিষয় হলো তাওহীদের যিকির, কিন্তু বর্ণনার পার্থক্যও পরিষ্কারভাবে জানানো হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই আমলের বর্ণনায় কিছু শব্দভেদ থাকতে পারে।
- তিরমিযীর বর্ণনায় ‘সালাতাল মাগরিব’ ও ‘বিয়াদিহিল খাইর’ শব্দ নেই।
- হাদিসের মান সম্পর্কে বর্ণনাকারীর মন্তব্য জানা গুরুত্বপূর্ণ।
- যিকির শেখার সময় শব্দ ও অর্থ দুটিই সতর্কভাবে নেওয়া উচিত।
