৪/১৯. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৯৯০-[১৩] - সালাত কুরআন ও আল্লাহর যিকিরের জন্য
সালাতের মাঝে যে সব কাজ করা নাজায়েজ ও যে সব কাজ করা জায়েজ - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
সালাত কুরআন ও যিকিরের জন্য
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৯৯০-[১৩]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৯৯০-[১৩]
وَقَالَ: «إِنَّمَا الصَّلَاةُ لِقِرَاءَةِ الْقُرْآنِ وَذِكْرِ اللّهِ فَإِذَا كُنْتَ فِيْهَا لِيَكُنْ ذلِك شَأْنُكَ». رَوَاهُ أَبُوْ دَاوُدَ
এরপর তিনি (ﷺ) হতে বর্ণিতঃ
এরপর তিনি (ﷺ) বলেন, সালাত শুধু কোরআন পড়া ও আল্লাহর যিক্র করার জন্য। অতএব তোমরা যখন সালাত আদায় করবে তখন এ অবস্থায়ই থাকবে। (আবূ দাঊদ) [১]
[১] হাসান : আবূ দাঊদ ৯৩১।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৯৯০-[১৩]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সালাতের মূল কাজ খুব পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, সালাত শুধু কুরআন পড়া ও আল্লাহর যিকির করার জন্য। তাই তোমরা যখন সালাত আদায় করবে, তখন এ অবস্থাতেই থাকবে। এই বাক্যে সালাতের দিকনির্দেশনা খুব সহজ: নামাজের ভেতরে কুরআন তিলাওয়াত, তাসবীহ, তাকবীর, দু‘আ ও আল্লাহর স্মরণই প্রধান বিষয়। সাধারণ কথা, অপ্রয়োজনীয় শব্দ বা মনোযোগ নষ্ট করে এমন কাজ সালাতের উদ্দেশ্যের সঙ্গে মেলে না। এই হাদিস আগের বর্ণনার সঙ্গে মিলিয়ে বুঝতে সাহায্য করে যে, সালাতের ভেতরে কথাবার্তা না বলা কেন জরুরি। সালাত কেবল শরীরের কাজ নয়; এটি কুরআন ও যিকিরের মাধ্যমে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর সময়। তাই নামাজে মন, জিহ্বা ও আচরণ—সবই আল্লাহর স্মরণে রাখা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতের মূল কাজ হলো কুরআন পড়া ও আল্লাহর যিকির করা।
- সালাতে অপ্রয়োজনীয় কথা বা শব্দ থেকে বিরত থাকা দরকার।
- নামাজে মনোযোগ আল্লাহর স্মরণে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
