৫/৩৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৩০৬ - আসর কাজা হওয়ার কঠিন সতর্কতা
‘আসরের সলাত ছুটে যাওয়া সম্পর্কে
আসর কাজা হলে পরিবার-সম্পদ হারানোর মতো ক্ষতি
সহীহ মুসলিম : ১৩০৬
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৩০৬
وَحَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ " مَنْ فَاتَتْهُ الْعَصْرُ فَكَأَنَّمَا وُتِرَ أَهْلَهُ وَمَالَهُ " .
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তির আসরের সালাত ক্বাযা হলো তার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সবই যেন ধ্বংস হয়ে গেল।
ই.ফা.১২৯৩, ই.সে.১৩০৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৩০৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তির আসরের সালাত কাজা হলো, তার পরিবার-পরিজন ও ধন-সম্পদ সবই যেন ধ্বংস হয়ে গেল। এই বর্ণনা আসরের নামাজের গুরুত্বকে খুব শক্তভাবে সামনে আনে। মানুষ দুনিয়ার ক্ষতি খুব দ্রুত অনুভব করে; পরিবার ও সম্পদ হারানো তার কাছে ভয়াবহ কষ্ট। নবী (صلى الله عليه وسلم) সেই বড় ক্ষতির উদাহরণ দিয়ে আসর ছুটে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন। তাই আসরের সালাতকে ব্যস্ততা, কাজ বা অবহেলার কারণে পিছিয়ে দিতে থাকা বিপজ্জনক। এখানে মূল শিক্ষা হলো সালাতের সময়কে গুরুত্ব দেওয়া এবং বিশেষভাবে আসর রক্ষা করা। তবে হাদিসে যা বলা হয়েছে, তার বাইরে কোনো নির্দিষ্ট দুনিয়াবি শাস্তির দাবি করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আসরের সালাত কাজা হওয়া বড় ক্ষতির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
- দুনিয়ার ব্যস্ততা সালাতের সময় নষ্ট করার অজুহাত হতে পারে না।
- আসর নামাজের সময় রক্ষা করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
- হাদিসের সতর্কতা মুমিনকে সালাতে যত্নবান হতে শেখায়।
