৫/৩৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৩০৭ - সালাতুল উস্তার গুরুত্ব
‘আসরের সলাত ছুটে যাওয়া সম্পর্কে
সালাতুল উস্তা ও আসরের সালাতের গুরুত্ব
সহীহ মুসলিম : ১৩০৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৩০৭
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَبِيدَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ لَمَّا كَانَ يَوْمُ الأَحْزَابِ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " مَلأَ اللَّهُ قُبُورَهُمْ وَبُيُوتَهُمْ نَارًا كَمَا حَبَسُونَا وَشَغَلُونَا عَنِ الصَّلاَةِ الْوُسْطَى حَتَّى غَابَتِ الشَّمْسُ " .
আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আহযাব যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছিলেনঃ আল্লাহ তা’আলা তাদের কবর ও ঘর-বাড়ী যেন আগুন দিয়ে ভরে দেন। কারণ তারা আমাদেরকে যুদ্ধের কাজ-কর্মে ব্যস্ত রেখে ‘সালাতুল উসত্বা’ (আসরের সালাত) থেকে বিরত রেখেছে এবং এ অবস্থায়ই সূর্য অস্তমিত হয়ে গেল।
ই.ফা.১২৯৪, ই.সে.১৩০৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৩০৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আহযাব যুদ্ধের দিনের একটি কঠিন ঘটনা এসেছে। যুদ্ধের ব্যস্ততা এত বেশি ছিল যে রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ও সাহাবীগণ সালাতুল উস্তা, অর্থাৎ আসরের সালাত আদায় করতে পারেননি; সূর্য অস্তমিত হয়ে যায়। এতে বোঝা যায়, আসরের সালাত কত গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে এমন কঠিন সময়েও তা ছুটে যাওয়াকে বড় কষ্টের বিষয় হিসেবে দেখা হয়েছে। হাদিসে রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) শত্রুদের ব্যাপারে কঠোর দোয়া করেছেন, কারণ তারা মুসলিমদের যুদ্ধের কাজে ব্যস্ত রেখে সালাত থেকে আটকে দিয়েছিল। মূল শিক্ষা হলো, যুদ্ধের মতো বড় বিপদেও সালাতের সময় ও সালাতের হেফাজত মুমিনের কাছে বড় বিষয়। সালাতুল উস্তা, আসরের নামাজ এবং নামাজের সময় রক্ষা—এই তিনটি শিক্ষা এখানে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আসরের সালাত সময়মতো আদায় করার গুরুত্ব এই হাদিসে স্পষ্ট হয়েছে।
- সালাত থেকে বাধা দেওয়া গুরুতর বিষয় হিসেবে এসেছে।
- কঠিন অবস্থাতেও নামাজের সময়ের ব্যাপারে সচেতন থাকা জরুরি।
- সালাতুল উস্তা মুসলিম জীবনে বিশেষ গুরুত্ব রাখে।
