৫/৩৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৩২৫ - একই সানাদে জান্নাতের সুসংবাদ
ফজর ও ‘আসর সলাতের ফযীলত এবং এ দু’টির প্রতি যত্নবান হওয়া
দুই ঠান্ডা সালাতের অনুরূপ বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ১৩২৫
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৩২৫
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ السَّرِيِّ، ح قَالَ وَحَدَّثَنَا ابْنُ خِرَاشٍ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ، قَالاَ جَمِيعًا حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَنَسَبَا أَبَا بَكْرٍ فَقَالاَ ابْنُ أَبِي مُوسَى .
আবূ বাকর ইবনু আবূ মূসা (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
একই সানাদে উপরে বর্ণিত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে ইবনু খিরাশ ও বিশর ইবনুস্ সারী আবূ বাকরকে আবূ মূসার সাথে সম্পর্কিত করে আবূ বাকর ইবনু আবূ মূসা বলে উল্লেখ করেছেন।
ই.ফা.১৩১২, ই.সে.১৩২৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৩২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের বর্ণনার একই সানাদে হাদিসটি এসেছে। তবে এখানে বর্ণনাকারীদের নামের উল্লেখে একটি পার্থক্য বলা হয়েছে—ইবনু খিরাশ ও বিশর ইবনুস স্যারি আবু বকরকে আবু মূসার সাথে সম্পর্কিত করে আবু বকর ইবনু আবু মূসা বলেছেন। মূল হাদিসের শিক্ষা আগেরটির মতোই: যে ব্যক্তি দুই ঠান্ডা সময়ের সালাত আদায় করে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। দুই ঠান্ডা সালাত বলতে ফজর ও আসর বোঝানো হয়। এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনা হাদিসের সানাদ ও নামের সূক্ষ্ম পার্থক্য দেখায়, আর একই সঙ্গে ফজর-আসর সালাতের গুরুত্ব মনে করিয়ে দেয়। তাই পাঠকের জন্য মূল আমল হলো—এই দুই সালাতের সময়কে গুরুত্ব দিয়ে নিয়মিত আদায় করা। নামের পার্থক্য থাকলেও আমলের শিক্ষা একইভাবে পরিষ্কার থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনা আগের হাদিসের একই মূল শিক্ষা ধরে রাখে।
- বর্ণনাকারীর নামের পার্থক্য সততার সাথে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ফজর ও আসরের সালাতের ফজিলত এখানে যুক্ত থাকে।
- দুই ঠান্ডা সময়ের সালাত নিয়মিত আদায়ে উৎসাহ পাওয়া যায়।
