৫/৩৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৩২৪ - ফজর-আসর আদায়ে জান্নাতের সুসংবাদ
ফজর ও ‘আসর সলাতের ফযীলত এবং এ দু’টির প্রতি যত্নবান হওয়া
দুই ঠান্ডা সালাত আদায়ের ফজিলত
সহীহ মুসলিম : ১৩২৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৩২৪
وَحَدَّثَنَا هَدَّابُ بْنُ خَالِدٍ الأَزْدِيُّ، حَدَّثَنَا هَمَّامُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنِي أَبُو جَمْرَةَ الضُّبَعِيُّ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ " مَنْ صَلَّى الْبَرْدَيْنِ دَخَلَ الْجَنَّةَ " .
আবূ বাকর ইবনু আবূ মূসা (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দু’টি ঠান্ডা সময়ের (ফজর ও আসর) সালাত ঠিকমত আদায় করে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
ই.ফা.১৩১১, ই.সে.১৩২৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৩২৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি দুই ঠান্ডা সময়ের সালাত আদায় করে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। দুই ঠান্ডা সময় বলতে ফজর ও আসর সালাত বোঝানো হয়। ফজর দিনের শুরুতে, আর আসর দিনের শেষ ভাগে আসে। এই দুই সময়ে মানুষ ঘুম, কাজ, ব্যস্ততা বা ক্লান্তির কারণে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। হাদিসের সরাসরি ভাষায় এই দুই সালাতের জন্য জান্নাতে প্রবেশের সুসংবাদ এসেছে। তাই এই বর্ণনা একজন মুমিনকে ফজর ও আসরের নামাজের ব্যাপারে আরও যত্নবান হতে শেখায়। তবে ব্যাখ্যায় বাড়তি শর্ত বা গল্প যোগ করার দরকার নেই। মূল বার্তা সহজ: দুই ঠান্ডা সালাত নিয়মিত আদায় করা বড় কল্যাণের আমল। তাই হাদিসটি দৈনন্দিন রুটিনে ফজর-আসরকে অগ্রাধিকার দিতে শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুই ঠান্ডা সময়ের সালাত বলতে ফজর ও আসর বোঝানো হয়।
- এই দুই সালাত আদায়ের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ এসেছে।
- দিনের শুরু ও শেষ ভাগে নামাজের যত্ন নেওয়া দরকার।
- ব্যস্ততা ও ক্লান্তির মাঝেও সালাত ধরে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
