৫/৫৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৪১৯ - ইমামতের নিয়মের পুনরাবৃত্তি
ইমামতির জন্য বেশী যোগ্য কে?
ইমামতের নিয়ম ও আদব নিয়ে অনুরূপ বর্ণনা
সহীহ মুসলিম : ১৪১৯
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৪১৯
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، ح وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ، أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، وَأَبُو مُعَاوِيَةَ ح وَحَدَّثَنَا الأَشَجُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَيْلٍ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، كُلُّهُمْ عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ .
আ’মাশ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
ই.ফা, ১৪০৫, ই.সে. ১৪১৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৪১৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে পূর্বোক্ত হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা এসেছে। মূল শিক্ষা হলো, সালাতের ইমাম নির্বাচনে কুরআনের জ্ঞান, সুন্নাহর জ্ঞান এবং প্রাসঙ্গিক যোগ্যতাকে গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে অন্যের এলাকায় বা বাড়িতে অনুমতি ছাড়া ইমামত না করার আদবও পূর্বের বর্ণনায় ছিল। এই ধরনের অনুরূপ বর্ণনা হাদিসের বিষয়কে আরও দৃঢ়ভাবে বোঝায়। ইমাম হওয়া শুধু সামনে দাঁড়ানো নয়; এটি একটি আমানত। তাই যার কুরআন জানা বেশি, যে সালাতের নেতৃত্ব দিতে উপযুক্ত, তাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। আবার ঘরের মালিক, এলাকার দায়িত্বশীল ব্যক্তি বা অনুমতির বিষয়ও অমান্য করা যাবে না। হাদিসটি জামাতের শৃঙ্খলা ও সামাজিক সম্মান বজায় রাখার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইমামতের নিয়ম একই বিষয়ের একাধিক বর্ণনায় এসেছে।
- সালাতের নেতৃত্ব যোগ্যতা ও জ্ঞানের ভিত্তিতে হওয়া উচিত।
- অন্যের অধিকার ও অনুমতির আদব রক্ষা জরুরি।
- জামাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা ইবাদতের সৌন্দর্য বাড়ায়।
