৬/৩১. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৭১৭ - সামর্থ্য অনুযায়ী সালাত
সলাতে তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে অথবা কুরআন পাঠ ও যিক্রে জিহবা জড়িয়ে যেতে লাগলে, ঘুমিয়ে পড়া কিংবা বিশ্রাম নেয়ার আদেশ, যাতে তা কেটে যায়
সামর্থ্য অনুযায়ী নফল সালাতের শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ১৭১৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৭১৭
وَحَدَّثَنَاهُ شَيْبَانُ بْنُ فَرُّوخَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ مِثْلَهُ .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
ই.ফা. ১৭০২, ই.সে. ১৭০৯
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৭১৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, আগের হাদিসের অনুরূপ বর্ণনা এসেছে। আগের বর্ণনায় দেখা যায়, সালাত আদায় করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়লে রশি ধরে নিজেকে দাঁড় করিয়ে রাখার পদ্ধতি নবী (صلى الله عليه وسلم) পছন্দ করেননি। তিনি রশি খুলে ফেলতে বলেছেন এবং নির্দেশ দিয়েছেন, মানুষ যেন আগ্রহ ও সতেজতা থাকলে সালাত আদায় করে, আর ক্লান্ত হলে বসে পড়ে। এই অনুরূপ বর্ণনা একই শিক্ষাকে আরও শক্ত করে—নফল ইবাদতে অতিরিক্ত চাপ নয়, বরং সামর্থ্য, স্বাভাবিকতা ও মনোযোগ দরকার। এখানে মূল কথা হলো, ইবাদত এমনভাবে করতে হবে যাতে তা স্থায়ী হয় এবং শরীরের ওপর অযথা বোঝা না হয়। তাই সামর্থ্য অনুযায়ী নফল সালাত আদায় করা গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নফল ইবাদতে শরীরের সামর্থ্য বিবেচনা করা উচিত।
- ক্লান্ত অবস্থায় নিজেকে জোর করে দাঁড় করিয়ে রাখা ঠিক নয়।
- সালাত আগ্রহ ও মনোযোগ নিয়ে আদায় করা ভালো।
- ইবাদতে সহজতা ও ভারসাম্য নবীজির শিক্ষার অংশ।
