৭/১৫. অধ্যায়ঃ
কুরআন অধ্যয়ন ও শিক্ষায় নিমগ্ন ব্যক্তির ফাযীলাত এবং যে ব্যক্তি ফিক্হ ইত্যাদির সূক্ষ্মজ্ঞান আহরণ করে তদনুসারে (নেক) 'আমাল করে ও শিক্ষা দেয় তার ফাযীলাত
সহিহ মুসলিম : ১৭৭৯
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৭৭৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، كُلُّهُمْ عَنِ ابْنِ عُيَيْنَةَ، - قَالَ زُهَيْرٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، - حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ حَسَدَ إِلاَّ فِي اثْنَتَيْنِ رَجُلٌ آتَاهُ اللَّهُ الْقُرْآنَ فَهُوَ يَقُومُ بِهِ آنَاءَ اللَّيْلِ وَآنَاءَ النَّهَارِ وَرَجُلٌ آتَاهُ اللَّهُ مَالاً فَهُوَ يُنْفِقُهُ آنَاءَ اللَّيْلِ وَآنَاءَ النَّهَارِ " .
আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ দুইটি ব্যাপার ছাড়া ঈর্ষা পোষণ করা যায় না। একটি হলো- এমন ব্যক্তি যাকে মহান আল্লাহ কুরআনের জ্ঞান দান করেছেন। সে তদনুযায়ী রাত-দিন আমল করে। আরেক ব্যক্তি যাকে আল্লাহ তা’আলা অর্থ-সম্পদ দান করেছেন। সে রাত-দিন তা (আল্লাহর পথে) খরচ করে। (এ দুই ব্যক্তির সাথে ঈর্ষা পোষণ করা যায়। অর্থাৎ এদের সাথে আমল ও দানের ব্যাপারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য অনুকূল ইলম ও মালের আকাঙ্ক্ষা করা যায়। তবে ঐ ব্যক্তির ইলম বিলুপ্ত হয়ে যাক কিংবা ঐ মালদারের মাল ধ্বংস হয়ে যাক- এরূপ কামনা করা যাবে না।)
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৭৬৪, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৭৭১[৩৮] মুহাদ্দিসগণ নিম্নরূপে হাদীসটির ব্যাখ্যা করেছেন। হিংসা দু’ প্রকার। এক প্রকার হ’ল- কোন ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ যে নি’আমাত দান করেছেন তার অবসান কামনা করা। আর অপর প্রকার হ’ল অবসান কামনা না করে নিজের জন্যেও অনুরূপ নি’আমাত কামনা করা। প্রথম প্রকারের হিংসা হারাম। কিন্তু দ্বিতীয় প্রকারের হিংসা জায়িয। (মুসলিম শারহে নাবাবী, ১ম খণ্ড ২৭২ পৃষ্ঠা)
