৭/২৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৮৩২ - কাতার বদলে সালাতুল খাওফ
শঙ্কার (ভয়ের) সময় সলাত
কাতার বদলে সালাতুল খাওফ আদায়ের নিয়ম
সহীহ মুসলিম : ১৮৩২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৮৩২
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاذٍ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ، الْقَاسِمِ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ صَالِحِ بْنِ خَوَّاتِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ صَلَّى بِأَصْحَابِهِ فِي الْخَوْفِ فَصَفَّهُمْ خَلْفَهُ صَفَّيْنِ فَصَلَّى بِالَّذِينَ يَلُونَهُ رَكْعَةً ثُمَّ قَامَ فَلَمْ يَزَلْ قَائِمًا حَتَّى صَلَّى الَّذِينَ خَلْفَهُمْ رَكْعَةً ثُمَّ تَقَدَّمُوا وَتَأَخَّرَ الَّذِينَ كَانُوا قُدَّامَهُمْ فَصَلَّى بِهِمْ رَكْعَةً ثُمَّ قَعَدَ حَتَّى صَلَّى الَّذِينَ تَخَلَّفُوا رَكْعَةً ثُمَّ سَلَّمَ .
সাহল ইবনু আবূ হাসমাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সহচরদের নিয়ে সালাতুল খাওফ আদায়ের উদ্দেশে তাদেরকে তাঁর পিছনে দু' কাতারে কাতারবন্দী করেন। তাঁর নিকটবর্তী কাতারের সাথে তিনি (ﷺ) এক রাক'আত সালাত আদায় করলেন, অতঃপর দাঁড়ালেন। তিনি (ﷺ) দাঁড়িয়ে থাকলেন যতক্ষণ যাবৎ না তাঁর পিছনের কাতার এক রাক'আত সালাত আদায় করল, অতঃপর সামনে এগিয়ে আসল এবং তাঁর নিকটবর্তী দল পিছনে সরে গেল। অতঃপর তিনি (ﷺ) এদের নিয়ে আরেক রাক'আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি (ﷺ) বসে থাকলেন যতক্ষণ যাবৎ না পিছনে সরে যাওয়া কাতার এক রাক'আত সালাত আদায় করল। অতঃপর তিনি (ﷺ) সালাম ফিরান।
ই.ফা. ১৮১৭, ই.সে. ১৮২৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৮৩২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সালাতুল খাওফের আরেকটি পদ্ধতি এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم সাহাবীদের তাঁর পিছনে দুই কাতারে দাঁড় করালেন। প্রথমে তাঁর কাছে থাকা কাতারের সাথে তিনি এক রাকাত সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি দাঁড়িয়ে থাকলেন, যতক্ষণ না পিছনের কাতার নিজে এক রাকাত আদায় করে। তারপর পিছনের কাতার সামনে এল এবং সামনের কাতার পিছনে সরে গেল। নবী صلى الله عليه وسلم তাদের সাথে আরেক রাকাত আদায় করলেন। এরপর তিনি বসে থাকলেন, যতক্ষণ না পিছনে সরে যাওয়া কাতার তাদের বাকি রাকাত পূর্ণ করে। তারপর তিনি সালাম ফিরালেন। এই হাদিসে ভয়ের সময় নামাজের শৃঙ্খলা, ধৈর্য এবং দলভিত্তিক সালাতের সুন্দর দিক দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাতুল খাওফে কাতার বদলের মাধ্যমে দুই দলই অংশ নেয়।
- নবী صلى الله عليه وسلم দাঁড়িয়ে ও বসে অপেক্ষা করেছেন, যাতে দলগুলো রাকাত পূর্ণ করতে পারে।
- ভয়ের সময়ও জামাআতের নিয়ম বজায় রাখা হয়েছে।
