৯/১. অধ্যায়ঃ
দু’ ঈদের দিনে নারীদের ঈদগাহে যাওয়া এবং পুরুষদের থেকে পৃথক থেকে খুত্বায় শারীক হওয়ার বৈধতা প্রসঙ্গে
সহিহ মুসলিম : ১৯৩২
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৯৩২
وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، قَالَ ابْنُ رَافِعٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ سَمِعْتُهُ يَقُولُ إِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَامَ يَوْمَ الْفِطْرِ فَصَلَّى فَبَدَأَ بِالصَّلاَةِ قَبْلَ الْخُطْبَةِ ثُمَّ خَطَبَ النَّاسَ فَلَمَّا فَرَغَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَزَلَ وَأَتَى النِّسَاءَ فَذَكَّرَهُنَّ وَهُوَ يَتَوَكَّأُ عَلَى يَدِ بِلاَلٍ وَبِلاَلٌ بَاسِطٌ ثَوْبَهُ يُلْقِينَ النِّسَاءُ صَدَقَةً . قُلْتُ لِعَطَاءٍ زَكَاةَ يَوْمِ الْفِطْرِ قَالَ لاَ وَلَكِنْ صَدَقَةً يَتَصَدَّقْنَ بِهَا حِينَئِذٍ تُلْقِي الْمَرْأَةُ فَتَخَهَا وَيُلْقِينَ وَيُلْقِينَ . قُلْتُ لِعَطَاءٍ أَحَقًّا عَلَى الإِمَامِ الآنَ أَنْ يَأْتِيَ النِّسَاءَ حِينَ يَفْرُغُ فَيُذَكِّرَهُنَّ قَالَ إِي لَعَمْرِي إِنَّ ذَلِكَ لَحَقٌّ عَلَيْهِمْ وَمَا لَهُمْ لاَ يَفْعَلُونَ ذَلِكَ.
আত্বা (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, নবী (ﷺ) ঈদুল ফিতরের দিন দাঁড়ালেন, অতঃপর সালাত আদায় করলেন। তিনি খুতবা দেয়ার আগে প্রথমে সালাত আদায় করেছেন, পরে জনতার উদ্দেশে খুতবা দিয়েছেন। নবী (ﷺ) খুতবা শেষ করে মহিলাদের কাছে এসে উপদেশ দিলেন। এ সময় তিনি (ﷺ) বিলালের হাতে ভর দিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন এবং বিলাল তাঁর কাপড় প্রসারিত করে রেখেছিলেন। মহিলারা এতে দান বস্তু ফেলছিল। আমি (ইবনু জুরায়জ) আতাকে জিজ্ঞেস করলাম, তা কি ঈদুল ফিতরের জাকাত (সাদাকায়ে ফিতর)? আতা বললেন, না, বরং তা সাধারণ সদাকাই ছিল। মহিলারা তাদের মূল্যবান আংটি (দানপাত্রে) ফেলছিল এবং সম্ভব সবকিছু বিলিয়ে দিচ্ছিল।আমি আতা (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, বর্তমানে কি ইমামের জন্য খুতবা সমাপ্ত করার পর মহিলাদের কাছে এসে তাদেরকে উপদেশ শুনানোর বিধিসম্মত? আতা বললেন, হ্যাঁ। আমার জীবনের রবের শপথ! এটা ইমামদের ওপর অবশ্য কর্তব্য। তাদের এ কাজ না করার কি কারণ থাকতে পারে?
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৯১৭, ইসলামীক সেন্টারঃ ১৯২৪
