১২/৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২০২৮ - অধিক বিলাপ ও কবরের সতর্কতা
মাইয়্যিতের পরিজনের কান্নাকাটির দরুন মাইয়্যিতকে ক্ববরে শাস্তি দেয়া হয়
অধিক কান্নাকাটি ও কবরের আজাবের সতর্কতা
সহীহ মুসলিম : ২০২৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২০২৮
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ سَمِعْتُ قَتَادَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " الْمَيِّتُ يُعَذَّبُ فِي قَبْرِهِ بِمَا نِيحَ عَلَيْهِ " .
উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার প্রতি অধিক কান্নাকাটি করার দরুন কবরে আযাব দেয়া হয়।
ই.ফা. ২০১২, ই.সে. ২০১৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ২০২৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবীজি (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, মৃত ব্যক্তিকে তার প্রতি অধিক কান্নাকাটি করার কারণে কবরে আজাব দেওয়া হয়। এখানে ‘নিয়াহা’ বা বিলাপধর্মী কান্নার বিষয়টি এসেছে, যা শুধু চোখের পানি নয়; বরং শোককে চিৎকার, আক্ষেপ ও অতিরিক্ত মাতমে পরিণত করার সতর্কতা। হাদিসটি শোকের সময় পরিবারের আচরণ নিয়ে সাবধান করে। কবরের আজাব, মৃতের জন্য কান্নাকাটি এবং জানাজার আদব—এই তিনটি বিষয় এখানে একসাথে বোঝা যায়। একজন মুসলিমের উচিত দুঃখের সময় আল্লাহর সিদ্ধান্ত মেনে ধৈর্য রাখা এবং এমন আচরণ থেকে দূরে থাকা, যা হাদিসে সতর্ক করা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মৃতের জন্য বিলাপধর্মী কান্না থেকে বিরত থাকা উচিত।
- শোকের সময় ধৈর্য রাখা ঈমানি আচরণের অংশ।
- কবরের বিষয়কে হালকা করে দেখা উচিত নয়।
- পরিবারের লোকদের মৃত্যুর সময় ইসলামী সীমা মানতে হবে।
