১২/৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২০২৯ - মৃতের জন্য বিলাপের পরিণতি
মাইয়্যিতের পরিজনের কান্নাকাটির দরুন মাইয়্যিতকে ক্ববরে শাস্তি দেয়া হয়
মৃতের জন্য বিলাপের পরিণতি কী
সহীহ মুসলিম : ২০২৯
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২০২৯
وَحَدَّثَنَاهُ مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ سَعِيدِ، بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " الْمَيِّتُ يُعَذَّبُ فِي قَبْرِهِ بِمَا نِيحَ عَلَيْهِ " .
উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ মৃত ব্যক্তিকে তার প্রতি অধিক কান্নাকাটি করার দরুন কবরে আযাব দেয়া হয়।
ই.ফা. নেই, ই.সে. নেই
সহীহ মুসলিম হাদিস ২০২৯-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি আগের হাদিসের একই অর্থকে আরও এক সূত্রে তুলে ধরে। নবীজি (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, মৃত ব্যক্তিকে তার জন্য অধিক কান্নাকাটির কারণে কবরে আজাব দেওয়া হয়। এতে বোঝা যায়, মৃত্যুর পর পরিবারের আচরণকে ইসলামে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাধারণ দুঃখ, চোখের পানি বা হৃদয়ের কষ্ট মানুষের স্বাভাবিক অবস্থা; কিন্তু হাদিসে যে বিষয়টির সতর্কতা এসেছে তা হলো অতিরিক্ত বিলাপ, চিৎকার ও শোককে সীমা ছাড়িয়ে নেওয়া। কবরের আজাব সম্পর্কিত এই হাদিস মুসলিম পরিবারকে জানাজার সময় শালীনতা, ধৈর্য এবং আল্লাহর ফয়সালার প্রতি সন্তুষ্ট থাকার শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মৃতের জন্য সীমা ছাড়ানো বিলাপ থেকে সতর্ক থাকা দরকার।
- একই শিক্ষা একাধিক সূত্রে আসায় বিষয়টির গুরুত্ব বোঝা যায়।
- শোকের সময় ইসলামী আচরণ বজায় রাখা প্রয়োজন।
- কবরের আজাবের কথা মানুষকে আত্মসমালোচনায় সাহায্য করে।
