১৩/২০. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২২৩৭ - এক টুকরো খেজুরের সদাকা
দানের জন্য উদ্বুদ্ধ করা যদিও তা এক টুকরা খেজুর বা ভালো কথা বলার মাধ্যমে হয়, সদাক্বাহ্ জাহান্নামের অগ্নি থেকে হিফাযাতকারী
এক টুকরো খেজুর দিয়েও সদাকার শিক্ষা
সহীহ মুসলিম : ২২৩৭
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২২৩৭
حَدَّثَنَا عَوْنُ بْنُ سَلاَّمٍ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْجُعْفِيُّ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَعْقِلٍ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنِ اسْتَطَاعَ مِنْكُمْ أَنْ يَسْتَتِرَ مِنَ النَّارِ وَلَوْ بِشِقِّ تَمْرَةٍ فَلْيَفْعَلْ " .
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে থাকার সামর্থ্য রাখে সে যেন একটা খেজুর দিয়ে হলেও তাই করে। (অর্থাৎ দান যতই ক্ষুদ্র হোক তাকে খাটো করে দেখা যাবে না। সামান্য দানও কবুল হলে নাজাতের ওয়াসীলাহ্ হতে পারে)।
ই.ফা. ২২১৬, ই.সে.২২১৭
সহীহ মুসলিম হাদিস ২২৩৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার সামর্থ্য রাখে, সে যেন একটি খেজুরের অংশ দিয়েও তা করে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, দান ছোট বলে তাকে তুচ্ছ মনে করা উচিত নয়। অনেক সময় মানুষ ভাবে, বড় অঙ্কের টাকা না হলে দান করার অর্থ নেই। কিন্তু রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সামান্য খেজুরের অংশের উদাহরণ দিয়ে দেখিয়েছেন, মুমিনের পক্ষে যতটুকু সম্ভব, তা দিয়েই নেক কাজে অংশ নেওয়া উচিত। হাদিসটি জাহান্নাম থেকে বাঁচার কথা বলেছে, তবে এতে অতিরঞ্জিত নিশ্চয়তা নয়; বরং সদাকার গুরুত্ব ও সামর্থ্য অনুযায়ী দানের শিক্ষা আছে। সামান্য সদাকা, হালাল দান এবং আন্তরিক মন—এগুলো মুমিনের জীবনে বড় মূল্য রাখে। তাই সুযোগ থাকলে অল্প হলেও দান করা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সামান্য দানকে তুচ্ছ মনে করা উচিত নয়।
- প্রত্যেকে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সদাকা করতে পারে।
- জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য নেক আমলের গুরুত্ব আছে।
- অল্প দানও আন্তরিক হলে মূল্যবান হতে পারে।
